শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম - শুকনো খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয় জানতে ক্লিক করুনআজকের আর্টিকেলের টপিক হল শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম। এছাড়াও আরো অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়েছে। সেগুলো হলঃ শুকনো খেজুর খাওয়ার উপকারিতা, দিনে কয়টি খেজুর খাওয়া উচিত, খেজুর খেলে কি ওজন বাড়ে, খালি পেটে খেজুর খেলে কি হয়, অতিরিক্ত খেজুর খেলে কি হয়, খেজুর ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা
শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম

এই সকল বিষয় নিয়ে পুরো আর্টিকেলে তুলে ধরা হয়েছে। আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে এই পুরো পোস্টটি পড়তে পারেন তাহলে শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম সহ আরো অনেকগুলো ট্রাফিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেয়ে যাবেন। তাহলে চলুন সময় নষ্ট না করে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগের সাথে পড়া শুরু করি।

সূচিপত্রঃ শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম

শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম

আজকে আমি আপনাদের জানাবো শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম। প্রতিদিন কয়টি শুকনো খেজুর খাওয়া যাবে এবং কোন কোন ধরনের শুকনো খেজুর খাবেন এবং কোন কোন ধরনের শুকনো খেজুর খাবেন না। সে সব বিষয়ে আজকের পোস্ট থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনি প্রতিদিন কয়টি খেজুর খাবেন এই বিষয়টা নির্ভর করছে আপনার ফিটনেস এর উপর এবং কত দিন খেতে চান।

আপনি যদি নিয়মিত শুকনো খেজুর খেতে চান তাহলে প্রতিদিন সকালে চার থেকে পাঁচটা শুকনো খেজুর খেতে পারেন। শুকনো খেজুর খাওয়ার যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনিভাবে অধিক পরিমাণ খেলে উপকারিতাও রয়েছে। বর্তমান বাজার থেকে শুকনো খেজুন ক্রয় করার সময় আপনাকে দেখতে হবে কোন খেজুরটা ভালো হবে। কারণ বর্তমান বাজারে শুকনো খেজুরের নামে

 বিভিন্ন ধরনের খেজুর চালিয়ে দেওয়া হয়। তাই আপনি যখন খেজুর কিনতে যাবেন তখন দেখবেন যে খেজুর এর উপরে রসালো বাপ আছে কিনা। কারণ যে খেজুরে উপরে রসালো ভাব আর নিচে শক্ত শক্ত ভাব তাহলে বুঝে নিবেন যে, সেই খেজুরটা প্রাকৃতিক ফল নয় মানুষের হাত দিয়ে ওই খেজুর বানানো হয়েছে। আর যে খেজুর দেখবেন যে উপরে শুকনো

ভিতরে রসালো তাহলে বুঝবেন এই খেজুরটা ১০০% খাটি খেজুর। এই ধরনের খেজুর যদি নিয়মিত খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আশা করি বিষয়টা বুজতে পেরেছেন শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম ও কি ধরনের খেজুর খাবেন। শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম আরো রয়েছে যেমন দুধের সাথে মিশিয়ে, রান্নার কাজে ব্যবহার করা, পানিতে ভিজিয়ে খাওয়া ইত্যাদি।

শুকনো খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

আমরা অনেকেই নিয়মিত শুকনো খেজুর খেয়ে থাকি কিন্তু আমরা অনেকেই শুকনো খেজুর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানি না। এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাকে জানাবো খেজুর খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি। শুকনো খেজুরে অনেক ধরনের উপকার রয়েছে যা বলে শেষ করার মত নয় সেই জন্য আমি আপনাদের সংক্ষেপে কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জানাবো নিচে তা তুলে ধরা হলোঃ
  1. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, খনিজ ভিটামিন, আবার খেজুরের রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  2.  খেজুরের রয়েছে ফাইবার তাই ডায়েটের সময় এই ফলটি রাখতে পারেন।
  3. একটি খেজুরে রয়েছে ২৫ থেকে ৩০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম জা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
  4.  আপনার শরীরে যদি রক্তের স্লপতা থাকে তাহলে নিয়মিত শুকনো খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রনের প্রয়োজন হয় তার প্রায় ১২ ভাগই পূরণ করে থাকে খেজুর।
  5. শুকনো খেজুরে রয়েছে নিউটেন জিগ্রাথিন যা রেটিং রোগ ভালো করে।
  6. শুকনো খেজুর ডিহাইড্রেশন বা পানি শূন্যতা দূর করে।
  7. শুকনো খেজুর দেহের পটাশিয়াম ও সোডিয়াম রক্ষা করে থাকে এবং হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে।
  8.  নিয়মিত চার থেকে পাঁচটা শুকনো খেজুর খেলে হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
  9. শুকনো খেজুরে শতকরা ৮৫ ভাগই চিনি দেখা যায় সেই জন্য শুকনো খেজুর কে বলা হয় মরুভূমির গ্লুকোজ।
  10. শুকনো খেজুর আপনার মুখের অরুচি কমাতে সাহায্য করে।
  11. শুকনো খেজুর পুরুষ এবং মহিলার যৌবন শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  12. শুকনো খেজুরে আছে ডায়েটরি ফাইবার যা আপনার শরীরের কোলেস্টরেল এর মত রোগ থেকে বাছাতে সাহায্য করবে।
  13. নিয়মিত শুকনো খেজুর খেলে আপনার ক্যান্সার এর মত কঠিন রোগ আসতে আসতে কমতে শুরু করবে।
  14. শুকনো খেজুরে আছে ইনস্যলুবল ফাইবার এবং স্যলুবল ও বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড যা আপনার শরীরের হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
  15. নিয়মিত শুকনো খেজুর খেলে দুর্বলতার ভাব এবং মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এছাড়াও আরো অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায় শুকনো খেজুরে যা বলে শেষ করার মত নয়। আপনি যদি বিভিন্ন ধরনের উপকার পেতে চান তাহলে নিশ্চিন্তে শুকনো খেজুর খেতে পারেন। এতে করে আপনার শরীর সুস্থ ও সুন্দর থাকবে। শুকনো খেজুর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা দেওয়া হয়েছে।

দিনে কয়টা খেজুর খাওয়া উচিত

আমরা সবাই কম বেশি জানি খেজুরের উপকারিতা সম্পর্কে কিন্তু আপনি জানলে অভাগ হবেন যে খেজুরে আছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ। একটি খেজুরে যে পরিমাণ পুষ্টি থাকে যেমন প্রোটিন 1.3-5.6 শতাংশ,কার্বস ৪৪ শতাংশ, চর্বি ০.২-০.৫ শতাংশ এবং ডায়েটারি ফাইবার ৬.4-11.5 শতাংশ পাওয়া যায়। এখন বলব দিনে কয়টি খেজুর খাওয়া উচিত।
শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম

আপনি যদি নিয়মিত খেজুর খেতে চান তাহলে দিনে চার থেকে পাঁচটা খেতে পারেন। আর যদি কিছু দিন খেতে চান তাহলে ৭ থেকে ৮ টা খেজুর খেতে পারেন। এতে করে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের উপকার পাবেন। কিন্তু আপনি যদি এর থেকে পরিমাণে বাড়িয়ে খাওয়া শুরু করেন তাহলে আপনার শরীরে উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে।
কারণ বেশি পরিমাণে খেজুর খেলে আপনার শরীরের ওজন ধরে রাখা মুশকিল হয়ে পড়বে। কারণ অধিক পরিমাণে খেজুর খেলে শরীর খুব তাড়াতাড়ি বাড়তে সাহায্য করে। তাই অধিক পরিমাণে খেজুর না খেয়ে দিনে চার থেকে পাঁচটা করে খেজুর খান এতে করে আপনার অনেক উপকার হবে।

খেজুর খেলে কি ওজন বাড়ে

আমরা অনেকেই জানি যে খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, কে,বি2,বি6 এবং থায়াবিন আবার প্রোটিন ও শর্করাও দেখা যায়। এইসব উপাদান আমাদের শরীরের সুস্বাস্থ্য বাড়াতে সাহায্য করে। আপনি যদি নিয়মিত খেজুর খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে এটা ১০০% সত্য কথা।

 কিন্তু অতিরিক্ত ওজন বাড়াতে পারবেন না। যদি অতিরিক্ত ওজন বাড়াতে চান তাহলে খেজুরের সাথে এক গ্লাস পরিমাণ দুধ নিতে পারেন এতে করে আপনার শরীর অতি দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনি যদি এই নিয়মে একমাস দুধ ও খেজুর খেতে পারেন তাহলে আপনি এক মাসের আগেই রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।

খালি পেটে খেজুর খেলে কি হয়

নিয়মিত খেজুর খেলে স্বাস্থ্যের সাথে চুল ও ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত খালি পেটে খেজুর খেলে অনেক ধরনের উপকার পাবেন কারণ খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ, বি ম্যাগনেসিয়াম, আন্টি-অক্সিডেন্ট, সালফার, ফাইবার, আয়রন, প্রোটিনিজ যা
আপনার ক্লান্ত শরীর চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে। সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও খালি পেটে খেজুর খেলে আরো অনেক ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায় যা নিচে তুলে ধরা হলো:
  • মস্তিষ্ক সচল রাখে আপনি যদি নিয়মিত সকালে খালি পেটে খেজুর খেতে পারেন তাহলে আপনার মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করবে।
  • সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে কারণ খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।
  • ত্বক সুন্দর করে খেজুরে আছে ভিটামিন বি যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। অনেক সময় দেখা যায় বয়সের আগে মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যায় এই সমস্যা থেকে দূ্রে থাকতে নিয়মিত খালি পেটে খেজুর খেতে পারেন। এতে করে আপনার মুখে কালসে দাগ দূর হয়ে যাবে কয়েকদিনের ভিতরে।
  • খুশখুশের কাশি দূর করতে সাহায্য করে আপনার যদি খুসখুশের কাশি হয়ে থাকে তাহলে প্রতিদিন রাতে দুই তিনটা খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি সহ খেজুর খেতে পারেন এতে করে আপনার খুশখুসে কাশি ১৫ দিনে ঠিক হয়ে যাবে।
  •  চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে আমরা অনেক সময় চুলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে চাইলেও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে পারি না। এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত খেজুর খেতে পারেন কারণ খেজুরে রয়েছে তেল যা পুষ্টিগুনে ভরা। নিয়মিত খেজুর খেলে অল্প দিনে চুল পড়া বন্ধ হওয়া থেকে শুরু করে চুল চকচকে করা শুরু করে।

অতিরিক্ত খেজুর খেলে কি হয়

আমরা অনেকেই জানি খেজুরে নানা রকম উপকার পাওয়া যায় কিন্তু পরিমাণ মতো খেতে হবে। যেকোনো ধরনের ফল অতিরিক্ত খাওয়া ভালো না। তাই অতিরিক্ত খেজুর খাওয়াও ভালো হবে না। আপনি যদি নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণে খেজুর খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
আরো পড়ুনঃ আপেল খেলে কি ওজন বাড়ে
পুষ্টিবিদরা বলেছেন অতিরিক্ত খেজুর খেলে পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্টের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়া সহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে পারে। এই সকল সমস্যা থেকে দূরে থাকতে অতিরিক্ত খেজুর খাওয়া বন্ধ করুন।

খেজুর ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা

খেজুরের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবেনা কারণ খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। যেমনঃ আমিষ, পানি, ভিটামিন বি টু, ভিটামিন বি ওয়ান, ক্যালসিয়াম, শর্করা, প্রোটিন, আয়রন, খনিজ পদার্থ, আবার সামান্য পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার, জিংক, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে,
ভিটামিন এ, এই সমস্ত পুষ্টিগুণে ভরা খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং স্মৃতিশক্তি শক্ত করতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে নিয়মিত শুকনো খেজুর খাওয়াতে পারেন। এতে করে আপনার বাচ্চার মস্তিষ্ক প্রস্তুতি শক্তি বৃদ্ধি পাবে। নিচে সংক্ষেপে খেজুর ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বলা হলোঃ
  • হার শক্ত করে।
  • ক্লান্তি দূর করে।
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।
  • কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
  • রক্তস্বল্পতা দূর করে।
  • পুরুষ ও নারী উভয়ের যৌন শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
  •  স্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধি প্রচার করে।
  • মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য প্রচার করে।
  • সুস্থ গর্ভাবস্থায় সাহায্য করে।
  • হেমোরয়েট প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  •  ত্বকের জন্য সেরা খেজুর
  • প্রদাহ প্রতিরোধ করে
  • সহনশীলতা ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে
এছাড়াও আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে আপনি যদি নিয়মিত খেজুর ভিজিয়ে খেতে পারেন তাহলে ১৫ দিনের ভেতর ফলাফল পেয়ে যাবেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন খেজুর ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়মঃ শেষ কথা

আপনি যদি এই সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে শুকনো খেজুর খাওয়ার নিয়ম সহ এর প্রাসঙ্গিক আরো বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে জেনে ফেলেছেন। তাই আপনি যদি এখনও খেজুর খাওয়া শুরু না করেন তাহলে অতি তাড়াতাড়ি খাওয়া শুরু করে দিতে পারেন।

কারণ আপনি যদি নিয়মিত খেজুর ভিজিয়ে সকালে পানি সহ খেজুরগুলো খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীরের পরিবর্তন দেখা শুরু করবেন। এই সমস্ত উপকার পেতে নিয়মিত খেজুর খান।

খেজুর নিয়ে সংক্ষিপ্ত FAQ

১। প্রশ্ন: খেজুর কত প্রকার?
উত্তর: সাধারণত খেজুর শুকনা (ড্রাইডেটস) ও কাঁচা (রুটাব) দুই ধরনের হয়।

২। প্রশ্ন: কোন দেশ খেজুর উৎপাদনে শীর্ষে?
উত্তর: সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত খেজুর উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয়।

৩। প্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগীরা খেজুর খেতে পারেন?
উত্তর: সীমিত পরিমাণে খেতে পারেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪। প্রশ্ন: কোন সময় খেজুর খাওয়া ভালো?
উত্তর: সকালবেলা বা রাতে ঘুমানোর আগ সময় খেজুর খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

৫।প্রশ্ন: কোন খেজুর সবচেয়ে ভালো?
উত্তর: আজওয়া, মেদজুল, আম্বার, সাফাওয়ি ও বারহি প্রজাতির খেজুর উচ্চমানের বলে বিবেচিত।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url