গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয় - গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার উপকারিতা

আপেলিন সিরাপ খেলে কি মোটা হয় জানতে ক্লিক করুনগর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয় এবং গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার নিয়ম আমরা অনেকেই জানিনা। প্রতিটা গর্ভবতী নারীদের জন্য শসা অনেক উপকারী একটি খাবার। তবে শসা খাওয়ার নিয়ম জেনে খেতে হবে না হলে উপকার হবে না। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন।
গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়

গর্ভকালীন নারীরা বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয়। যেমন পেট জ্বালাপোড়া, খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া হজমের সমস্যা এইগুলো সমস্যা দূর করার জন্য শসা অনেক উপকারি। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানাবো গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়, গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার উপকারিতা, গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত শসা খেলে কি হয়, গর্ভাবস্থায় শসা কতটুকু খাওয়া উচিত ইত্যাদি সম্পর্কে।

পেজসূচিপ্ত্রঃ গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়

শসার পুষ্টি উপাদান

শসাতে প্রচুর পরিমাণে পানি বিদ্যমান রয়েছে পাশাপাশি শসা তে যে সকল পুষ্টি উপাদান গুলো রয়েছে সেগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
  1. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
  2. ফাইবার
  3. ফলিক এসিড
  4. আয়রন
  5. জিংক
  6. পটাশিয়াম
  7. ম্যাগনেসিয়াম
  8. ভিটামিন 'কে'
  9. ভিটামিন বি-৬
  10. ভিটামিন বি-৯
  11. ভিটামিন 'সি'
  12. খনিজ
  13. রিবোফ্লাভিন

গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়

এখন আলোচনা করব গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়। একটা কথা না বললে নয় যে গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়া যাবে। কিন্তু যাদের শসা খেলে এলার্জি হয় এবং খুব ঘন ঘন প্রস্রাব হতে থাকে এরকমটা হলে শসা না খাওয়া ভালো। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। কিন্তু যাদের সমস্যা হবে না তারা গর্ভাবস্থায় শসা অনায়াসে খেতে পারে। গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয় তা নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ
  1. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
  2. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
  3. হাড় মজবুত করে।
  4. রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
  5. মানসিক চাপ কমায় ও মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ গর্ভাবস্থায় আপনি যদি পরিমিত পরিমানে শসা খান তাহলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে কেননা এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় রয়েছে ফাইবার যা দেহের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
  • রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেঃ গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার ফলে রক্তের শর্করা মাত্রা উউনিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ডায়বেটিস প্রতিরোধ হয়। অর্থাৎ গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা থাকে না। আবার ডায়াবেটিস ধরা পড়লেও চিকিৎসকরা পরিমাণ মতো শসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
  • হাড় মজবুত করেঃ শসাতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে যার কারণে হাড় মজবুত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
  • রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করেঃ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন ধরনের রোগ সংক্রমণ ঠেকাতে শসা খুবই উপকারী।
  • মানসিক চাপ কমায় ও মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়ঃ গর্ভবতী অবস্থায় শসা খেলে মানসিক চাপ কমে এবং মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়। এক কথায় মেজাজ উন্নতি হয়।
গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়া নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক ধরনের কথা প্রচলিত আছে যা অধিকাংশই মিথ্যা। অনেকে মনে করে থাকেন যে গর্ববস্থায় শসা খেলে ঠান্ডা লাগে এবং পেটের বাচ্চার ঠান্ডা লাগার সমস্যা সৃষ্টি হয়। এটার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবেনা তাহলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অবশ্যই আপনাকে একটি সঠিক পরিমাণে খেতে হবে অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না।

আমাদের সমাজে এমন কথা প্রচলিত আছে যে গর্ভাবস্থায় যদি মায়েরা শসা খায় তাহলে তাদের ঠান্ডার সমস্যা সৃষ্টি হবে এবং গর্ভে থাকা শিশুর জন্মের পর তারও এই ঠান্ডা লাগার সমস্যা সৃষ্টি হবে এটি পুরোপুরি ভ্রান্ত একটি ধারণা। তাই শরীর ঠিক রাখতে এবং গর্ভে থাকা শিশুর শারীরিক মানসিক বিকাশের জন্যে সঠিক পরিমাণে শসা খাওয়া উচিত। তাহলে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না।

গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার উপকারিতা

শসা খাওয়া গর্ভবতী মায়েদের জন্য নানান ধরনের উপকার বয়ে আনে। শসা খেলে গর্ভবতী মায়েদের শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে ইতিবাচক প্রভাব বয়ে আনে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীর হাইড্রেট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শসাতে উচ্চমাত্রায় পানি বিদ্যমান থাকে, যা গর্ভবতী মায়েদের শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। সাথে করে সব সময় শরীর সতেজ থাকে, শরীরে ক্লান্তি কমে
গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয়

এবং গর্ভাবস্থায় ডিহাইড্রেশন অর্থাৎ পানি শূন্যতার ঝুঁকি থাকে না।গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের ফলে অনেকসময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। শসায় বিদ্যমান থাকা ফাইবার হজমশক্তি বৃদ্ধি করে যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। নিয়মিত শসা খেলে অন্তের গতি স্বাভাবিক থাকে, অংকের গতিবেধি ঠিক থাকার ফলে মায়েরা প্রশান্তি অনুভব করে।

গর্ভবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ একটি বড় সমস্যা। এটি বিভিন্ন বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। শসাতে উচ্চমাত্রায় বড়শিয়াম বিদ্যমান থাকে যা নিয়ন্ত্রণ করতে অধিক কার্যকরী। এছাড়াও এটি হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। গর্ভাবস্থায় নারীদের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা হয়। কম ক্যালরিযুক্ত এবং উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকে যার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং ওজন কমায়, ক্ষুধা কমায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে শসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের নানা ধরনের পরিবর্তন এই কারণে ব্রণ, ত্বকে কালো দাগ এবং ত্বকের শুষ্কতা দেখা দেয়। সহায় বিদ্যমান থাকা উচ্চমাত্রায় পানি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকে সকল ধরনের দাগ দূর করে। এছাড়াও এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার অপকারিতা

গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার অপকারিতা। ইতিমধ্যে আপনারা যা কিছু জেনেছেন সবকিছুই ছিল শসা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে। এবার জেনে নিন শসা কিভাবে খেলে অপকারিতা হবে সেই সম্পর্কে। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে শসা খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি চাইলে খাবারের সাথে সালাত করে শসা খেতে পারেন।

তাহলে তাদের কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে না কিন্তু তারা যদি খাওয়ার পরে এবং ঘুমানোর আগে খাই তাহলে তাদের সমস্যা হতে পারে। পুষ্টিবিদের মতে শসা অতিরিক্ত খেলে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। যেমন শসায় রয়েছে অতিরিক্ত ফাইবার যার কারণে অতিরিক্ত শসা খেলে গ্যাস্ট্রিক বা পেট ফাঁপা সমস্যায় পড়তে পারেন।
আবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শসা খেলে অ্যালার্জি বা চুলকানি হতে পারে। এছাড়াও আমরা অনেকেই জানি শসা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু, অতিরিক্ত খেলে নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা হতে পারে। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন পরিমাণমত শসা খাওয়ার তাইলে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিবে না।

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত শসা খেলে কি হয়

শসা অধিক পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার তবে অতিরিক্ত খাওয়া শরীরে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত শসা খেলে পেটে গ্যাস এবং ফোলাভাব হতে পারে। সাথে উচ্চমাত্রায় পানি বিদ্যমান থাকে এবং একটি বিদ্যমান থাকা এনজাইম শরীরের অতিরিক্ত গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অস্বস্তিকতা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

শসা প্রাকৃতিক ডিউরেটিক যার ফলে আমাদের শরীর থেকে অতিরিক্ত পরিমাণে লবণ এবং পানি বের করে দেয়।যার ফলে ঘনঘন প্রস্রাব হতে পারে। গর্ভাবস্থায় রাতে ঘুমের প্রয়োজন কিন্তু এই শসা অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে রাত্রে ঘন ঘন প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভাঙ্গার সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবেনা? গর্ভাবস্থায় কোন ধরনের কীটনাশক যুক্ত সবজি খাওয়া যাবে না।

আজকাল সবকিছুতেই এটা সবকিছুতেই কীটনাশক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই কীটনাশক যুক্ত শশা খাওয়া যাবেনা, কীটনাশক যুক্ত শশা খেলে গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীরে একটু বিরূপ প্রভাব পড়বে। তাই শসা খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী।

গর্ভাবস্থায় শসা কতটুকু খাওয়া উচিত

গর্ভাবস্থায় সকল খাবার সঠিক পরিমাণে খেতে হবে। অতিরিক্ত খেলে নানান ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ১-২ কাপ পরিমাণ শসা খাওয়া নিরাপদ। তবে এটি অবশ্যই আপনার শরীরের চাহিদা এবং খাওয়ার পরে যে প্রতিক্রিয়াগুলো সৃষ্টি হচ্ছে সে অনুযায়ী খেতে হবে। শসা অতিরিক্ত খাবার ফলে গ্যাস, পেটে ফোলাভাব এবং ঘন ঘন প্রস্রাব এর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই অবশ্যই এইদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে খাবারের জটিলতার কারণে দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা। তাই সকল খাবারই শরীর যতটুকু নিতে পারবে ততটুকুই খেতে হবে। কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিতে হবে। কারণ এই ছোট সমস্যা থেকে বড় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই অবশ্যই এদিকটি খেয়াল রেখে খাবেন।

গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার নিয়ম

শসা খাওয়ার জন্য সঠিক কিছু নিয়ম রয়েছে, এর বিপরীত করলে হতে পারে নানান ধরনের সমস্যা। গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়ার আগে কিছু সতর্কতা জেনে নেওয়া উচিত। শসা খাওয়ার আগে অবশ্যই শসাটি ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। আজকাল সকল কিছুতেই কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কীটনাশক যুক্ত শশা খেলে গর্ভবস্থায় মায়েদের কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

তাই অবশ্যই শসা খাওয়ার আগে ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। শসা খাওয়ার আগে শসা নির্বাচন করতে হবে, অবশ্যই শসাটি তাজা হতে হবে কীটনাশক মুক্ত হতে হবে। অতিরিক্ত পরিমাণে শসা খাওয়া যাবে না। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয় বিশেষ করে গর্ভবস্থায় অতিরিক্ত হওয়ার পর থেকে খাওয়ায় যাবে না তাহলে বড় ধরনের সমস্যা সম্মুখীন হতে পারে। অবশ্যই উপরে বর্ণিত দিকগুলো খেয়াল রেখে শসা খাবেন।

গর্ভাবস্থায় শসার বিকল্প খাবার

অনেকের ক্ষেত্রে শসা খাওয়ার পরে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হয়। যদি শসা খাওয়ার পরে কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আপনি অন্য পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। শরীরে এ সময় পুষ্টি কোন ঘাটতি রাখা যাবে না। গর্ভাবস্থায় শিশুর এবং মায়ের অনেক পুষ্টির প্রয়োজন।

এ সময়টাতে কোন ধরনের অবহেলা করা চলবে না। সকল বিষয়ে সাবধান হয়ে চলতে হবে এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। শসা বিকল্প হিসেবে কিছু কিছু খাবার খাওয়া যেতে পারে যেমন আপনি শসার বিকল্প হিসেবে টমেটো খেতে পারেন। টমেটোতে অনেক পুষ্টি রয়েছে। শসার বিকল্প হিসেবে লেটুস খাওয়া যেতে পারে, এটি শসার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে এটিতে অনেক পরিমাণ পুষ্টি রয়েছে।
অত্যন্ত পরিচিত এবং পছন্দনীয় একটি জিনিস হলো গাজর, এই গাজর কে আপনি শসা বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন। এছাড়াও আপনি আরো অনেক হালকা শাকসবজি খেতে পারেন শসার বিকল্প হিসেবে। এগুলোতে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুন রয়েছে। শসা শুধু খাওয়ার জন্যই নয় বরং এর আরো কিছু ব্যবহার রয়েছে। শসাকে আমরা খাওয়া ছাড়াও আমাদের ত্বকে ব্যবহার করতে পারি।

এটি আমাদের ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা দূর করবে যেমন ব্রণের সমস্যা, মুখের কালো দাগ এবং ত্বকের শুষ্কতা দূর করে থাকে। এছাড়াও শসা চোখের ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের এই ধরনের সমস্যা দূর করার জন্য শসাকে আপনি শসা কে পাতলা পাতলা করে কেটে নিয়ে মুখের উপর ব্যবহার করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি এটাকে পেস্ট করে নিয়ে মুখে ব্যবহার করতে পারেন। শসা ব্যবহার জানলাম এবার জেনে নিয়ে এর কিছু সতর্কতা। শসা খাওয়ার পরে যদি আপনার শরীরে কোন ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাহলে আপনি অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন। বিশেষ করে যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপের মত সমস্যা এবং কিডনির সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আপনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন।

লেখকের শেষ মতামত

গর্ভাবস্থায় শসা খেলে কি হয় এ সম্পর্কে আমরা এই ব্লগে অনেক কিছুই জানলাম। গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়া নিরাপদ তবে এটি সঠিক পরিমাণে খেতে হবে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীরের অবস্থা বুঝে এবং শসা খাওয়ার পরে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে সেগুলো বুঝে শসা খেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গর্ভাবস্থায় শসা দৈনিক খাবার তালিকা সবচেয়ে উত্তম কাজ। এই শসা খেলে শরীরে ডিহাইড্রেশন অর্থাৎ পানির ঘাটতি সমস্যা দেখা দিবে না।
এছাড়াও গর্ভাবস্থায় শসা খেলে গর্ভে থাকা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহযোগিতা করে। গর্ভবস্থায় মায়েদের ত্বকের নানান ধরনের সমস্যা দেখা দেয় হরমনের পরিবর্তনের কারণে। তাই গর্ব অবস্থায় মায়েদের ত্বকের সমস্যা দূর করতে শসা খাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও এটি মুখে পেস্ট করে লাগাতে পারেন এবং পাতলা পাতলা করে কেটে মুখের উপর ব্যবহার করতে পারেন। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা এবং কাঠিন্যের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে শসা খেতে পারেন।

FAQ: গর্ভাবস্থায় শসা নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: গর্ভাবস্থায় শসা খাওয়া কি নিরাপদ?
উত্তর: হ্যাঁ, সংযত পরিমাণে খেলে এটি নিরাপদ ও উপকারী।

প্রশ্ন ২: শসা খাওয়ার কী উপকারিতা আছে?
উত্তর: হাইড্রেশন বজায় রাখা, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ফোলাভাব কমানো, ওজন নিয়ন্ত্রণ।

প্রশ্ন ৩: শসা খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?
উত্তর: অতিরিক্ত খেলে গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা ও ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা হতে পারে।

প্রশ্ন ৪: গর্ভাবস্থায় কতটুকু শসা খাওয়া উচিত?
উত্তর: দিনে ১-২ কাপ (২০০-২৫০ গ্রাম) খাওয়া নিরাপদ।

প্রশ্ন ৫: শসা কি গর্ভস্থ শিশুর জন্য উপকারী?
উত্তর: হ্যাঁ, এতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ শিশুর বৃদ্ধিতে সহায়ক।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url