গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা - দামসহ বিস্তারিত জানুন
আপেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা জানতে ক্লিক করুন গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে না জানলেই নয়। কারণ একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য মাদার হরলিক্স খাওয়া খুবই জরুরী। কারণ গর্ভকালীন সময় প্রাকৃতিক থেকে যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান গুলো পাওয়া যায় সেই পুষ্টি উপাদান গুলো গর্ভকালীন সময় মায়েদের মুখের অরুচির কারণে খাওয়া হয় না।
যার কারণে মা ও শিশু দুজনেই পুষ্টিহীনতায় ভোগেন। তাই তাদের কথা চিন্তা করে পুষ্টিবিদরা মাদার হরলিক্স বা মিল্ক পাউডার তৈরি করে। কিন্তু আপনি যদি প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার বা ফলমূল খেতে পারেন তাহলে আপনার মাদার হরলিক্স খাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
সূচিপত্রঃ গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা
- মাদার হরলিক্স কি
- গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স কত মাস থেকে খেতে হয়
- মাদার হরলিক্স প্লাস কত মাস থেকে খেতে হয়
- গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা
- গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে কি হয়
- মাদার হরলিক্স কখন খাওয়া উচিত
- মাদার হরলিক্স কত মাস খেতে হয়
- মাদার হরলিক্স 350 গ্রাম দাম বাংলাদেশে
- মাদার হরলিক্স 500 গ্রাম দাম বাংলাদেশে
- ১ কেজি মাদার হরলিক্স এর দাম কত
- মাদার হরলিক্স কোনটা ভালো
- মাদার হরলিক্স এর কাজ কি
- FAQ: গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা
- গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা লেখক এর মন্তব্য
মাদার হরলিক্স কি
মাদার হরলিক্স সাধারণত গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। অনেক মায়েদের গর্ভকালীন সময়ে কোন কিছু খেতে মন চায় না। শুধু বমি বমি ভাব হয়। তাদের কথা চিন্তা করে বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাদার হরলিক্স তৈরি করা হয়েছে।
গবেষণায় প্রমাণিত মাদার হরলিক্স এ ২৫ থেকে ৩০ টি পুষ্টি উপাদান ও সুষম উপাদান রয়েছে। যা গর্ভকালীন সময় মা ও শিশুর শারীরিক, মানসিক ভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া যে সমস্ত মায়েদের গর্ভপাত হওয়ার পরে স্তনে সেরকম দুধ দেখা যায় না তাদেরকে মাদার হরলিক্স খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে বিভিন্ন পুষ্টিবিদরা।
তাই আপনি যদি গর্ভকালীন সময় প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান না খেতে পারেন তাহলে মাদার হরলিক্স আপনার জন্য বেস্ট হবে।
গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স কত মাস থেকে খেতে হয়
গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স কত মাস থেকে খেতে হয় এটি একটি সাধারণ প্রশ্ন। আমরা অনেকেই জানি গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টির দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হয়।তাই গর্ভকালীন সময় মায়ের পুষ্টি বাড়ানোর জন্য অনেকেই মাদার হরলিক্স খেয়ে থাকে।
কিন্তু অনেকেই জানেনা গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স কত মাস থেকে খেতে হয়।ডক্টর ফারিয়া জাহানের মতে মাদার হরলিক্স খাওয়ার কোন বাধা ধরা নিয়ম দেওয়া নেই।কিন্তু একজন মা যদি গর্ভাবস্থায় প্রাকৃতিক শাকসবজি, ফলমূল বা পুষ্টিকর খাবার না খেতে পারে
তাহলে গর্ব অবস্থায় প্রথম মাস থেকেই মাদার হরলিক্স খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে গর্ব অবস্থায় প্রথম তিন মাস প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া খুবই জরুরী। এরপর তিন মাস পার হয়ে গেলে পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য মাদার হরলিক্স খাওয়া যেতে পারে।
এছাড়া আপনি চাইলে গর্ব অবস্থায় প্রথম মাস থেকেই মাদার হরলিক্স খেতে পারেন।কিন্তু খেয়াল রাখবেন গর্ভ অবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
মাদার হরলিক্স প্লাস কত মাস থেকে খেতে হয়
মাদার হরলিক্স প্লাস এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ। শারীরিক এবং মানসিক সুস্থ থাকার জন্য আমরা অনেকেই মাদার হরলিক্স প্লাস ব্যবহার করি। কিন্তু আপনি কি জানেন মাদার হরলিক্স প্লাস কত মাস থেকে খেতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে মাদার হরলিক্স প্লাস আপনি যখন খুশি তখন খেতে পারেন।
যদি আপনার শরীরে কোন ধরনের প্রবলেম না থাকে। তাই আপনি যদি একজন গর্ভবতী মা হয়ে থাকেন তাহলে মাদার হরলিক্স প্লাস প্রথম মাস থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত খেতে পারেন। এতে কোন ধরনের সমস্যা হবে না। আর যদি মাদার হরলিক্স প্লাস খাওয়ার পরে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা
বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত মাদার হরলিক্স এ রয়েছে প্রোটিন, নিউট্রিশন এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যা গর্ভকালীন সময় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। তাহলে চলুন এক নজরে দেখে নেই গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।
- হাড়ে ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব বাড়ায়
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
- শিশুর ওজন বৃদ্ধি করে
- গর্ভাবস্থায় শারীরিক দুর্বলতা দূর করে
- শিশুর হাট মজবুত করে
- একাগ্রতা বাড়ায়
- স্তন্য বৃদ্ধি
- গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে
- হাড়ে ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব বাড়ায়ঃ মাদার হরলিক্স এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যা গর্ভকালীন সময় মা ও শিশুর ক্যালসিয়াম জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত গর্বস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে শিশুর পেশি শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ মাদার হরলিক্সে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যেমন B6, B12, C, D ইত্যাদি। যা মা ও শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
- শিশুর ওজন বৃদ্ধি করেঃ গর্ভকালীন সময় মায়ের ওজন কমে গেলে মাদার হরলিক্স খাওয়া যেতে পারে। কারণ মাদার হরলিক্স এ রয়েছে প্রোটিন যা মা ও শিশুর ওজন বৃদ্ধি করে।
- গর্ভাবস্থায় শারীরিক দুর্বলতা দূর করেঃ গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীর দুর্বল হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ গর্ভকালীন সময় অনেক মায়েরা ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে না। এমনকি প্রাকৃতিক শাকসবজি বা ফলমূল খেতে অনেকেই অপছন্দ করে। কারণ তাদের মুখের রুচি গর্ভকালীন সময়ে কমে যায়। তাই আপনার যদি এই সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে শারীরিক দুর্বলতা কাটানোর জন্য বা মুখে রুচি আনার জন্য নিয়মিত এক গ্লাস দুধের সাথে মাদার হরলিক্স খেতে পারেন।
- শিশুর হাট মজবুত করেঃ গবেষণায় প্রমাণিত মাদার হরলিক্স এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম। যা মায়ের বা শিশুর হাট মজবুত করতে সহায়তা করে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি মাদার হরলিক্স খাওয়া যেতে পারে।
- একাগ্রতা বাড়ায়ঃ মা ও শিশুর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য মাদার হরলিক্স খাওয়া যেতে পারে। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে গর্ব অবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে মা ও শিশুর ব্রেইন তীক্ষ্ণ হয় এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
- স্তন্য বৃদ্ধিঃ অনেক সময় দেখা যায় অনেক গর্ভবতী মায়ের স্তন থেকে দুধ বের হতে চায় না। তাই আপনার সন্তানের কথা চিন্তা করে আপনার স্তনের দুধ বৃদ্ধি করার জন্য মাদার হরলিক্স খেতে পারেন।
- গর্ভাবস্থায় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করেঃ আমরা সবাই জানি যে গর্ব অবস্থায় মায়েদের পুষ্টি আস্তে আস্তে কমতে থাকে। কারণ তাদের মুখের রুচি স্বাভাবিক থাকে না। যার কারণে অনেক মায়েদের গর্ভবস্থায় পুষ্টি অভাব দেখা দেয়। তাই আপনি যদি পুষ্টির অভাবে ভুগে থাকেন তাহলে মাদার হরলিক্স খেতে পারেন।
আপনি জানলে অবাক হবেন যে মাদার হরলিক্সে যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান দেখা যায় সেই সমস্ত পুষ্টি উপাদান প্রাকৃতিক শাকসবজি বা ফলমূল এ দেখা যায়। তাই আমার পরামর্শ হলো আপনার মুখে যদি রুচি থাকে তাহলে মাদার হরলিক্স বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক শাকসবজি বা ফলমূল খেতে পারেন। এতে বিভিন্ন ধরনের উপকার পাবেন। আর যদি প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার বা ফলমূল না খেতে পারেন তাহলে মাদার হরলিক্স খেতে পারেন।
গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে কি হয়
গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে কি হয় ইতিমধ্যে আপনি আংশিক ধারণা পেয়েছেন মাদার হরলিক্সের উপকারিতা থেকে। এখন বিস্তারিতভাবে বলার চেষ্টা করব গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে কি হয়। মাদার হরলিক্স হল একটি মিল্ক পাউডার।মাদার হরলিক্স মূলত তৈরি করা হয়েছে গর্ভবতী মায়েদের জন্য।
গর্ভকালীন সময়ে অনেক মায়েরাই খাবারে অরুচি দেখায় যার কারণে তাদের শরীর দিন দিন ভেঙ্গে পড়ে। যার কারণে মা ও শিশু দিন দিন ক্ষতির মুখে পড়ে যায়। তাদের কথা চিন্তা করে মিল্ক পাউডার বা মাদার হরলিক্স তৈরি করা হয়। গর্ভকালীন সময়ে মাদার হরলিক্স খেলে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ খালি পেটে আপেল খেলে কি হয়
যেমন হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, স্বাস্থ্য ঠিক রাখে, মুখে রুচি ফিরে আনে, মা ও শিশুর পেশি শক্তিশালী করে।এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায় মাদার হরলিক্সে যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তাই আপনি যদি চান নিজের এবং শিশুর পুষ্টি উপাদান চাহিদা মেটানোর জন্য তাহলে নির্দ্বিধায় মাদার হরলিক্স খেতে পারেন।
মাদার হরলিক্স কখন খাওয়া উচিত
মাদার হরলিক্স একটি পুষ্টিকর মিল্ক পাউডার। কিন্তু মাদার হরলিক্স কখন খাওয়া উচিত এটা জেনে রাখা খুবই জরুরী। পুষ্টিবিদদের মতে গর্ভকালীন সময় শুরু হওয়া থেকে না খেয়ে তিন মাস পূর্ণ হওয়ার পরে খেলে বেশি কার্যকারিতা পাওয়া যায়। কিন্তু আপনার যদি গর্ভকালীন হওয়ার পর থেকে
মুখে অরুচি বা পুষ্টিকর খাবার খেতে মন না চায় সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভাবস্থায় প্রথম মাস থেকেই খাওয়া শুরু করতে পারেন। তার জন্য অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিবেন। কারণ গর্ভকালীন সময় মায়েদের সচেতন থাকা এবং খাবারের দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হয়।
আরো পড়ুনঃ হাঁসের মাংসে কি এলার্জি আছে
তাই আপনি যদি গর্ভকালীন সময় আপনার এবং শিশুর পুষ্টি ধরে রাখতে চান তাহলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে খাবার তালিকা সাজিয়ে নিন।
মাদার হরলিক্স কত মাস খেতে হয়
আপনি কি ভাবছেন যে মাদার হরলিক্স কত মাস খেতে হয়। যদি তাই ভেবে থাকেন তাহলে ঠিক জায়গায় এসেছেন। আমি আপনাদের বিভিন্ন রিসার্চ এর মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করব যে মাদার হরলিক্স কত মাস খেতে হয়। ডক্টর ফারিয়ার কথা অনুযায়ী বোঝা যায় মাদার হরলিক্স আপনি যখন খুশি তখন খেতে পারেন।
যদি আপনার শরীরে কোন ধরনের রোগ বালাই না থাকে। ডক্টর আরো বলছেন যে কোন গর্ভবতী মহিলা যদি স্বাভাবিকভাবে প্রোটিন জাতীয় প্রাকৃতিক শাকসবজি বা ফলমূল খেতে পারে তাহলে সেই গর্ভবতী মায়ের মাদার হরলিক্স খাওয়ার কোন প্রয়োজন হবে না।
আরো পড়ুনঃ ফিটকিরি কি চুলের জন্য ক্ষতিকর
কিন্তু আপনার যদি খাবারে অরুচি থাকে তাহলে প্রথম মাস থেকে শুরু করে শেষ অব্দি পর্যন্ত খেতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি আরো বিশদভাবে এই বিষয়টি বুঝতে চান তাহলে আপনার নিকটস্থ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
মাদার হরলিক্স 250 গ্রাম দাম বাংলাদেশে
মাদার হরলিক্স 250 গ্রাম বাংলাদেশের দাম জানতে চান। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক মাদার হরলিক্স ২৫০ গ্রাম বাংলাদেশ কত টাকা ধরে বিক্রি করা হচ্ছে। মাদার হরলিক্স আপনি বিভিন্ন মুদি দোকান থেকে ক্রয় করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে অনলাইনে ঘরে বসে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ক্রয় করতে পারেন। বর্তমান বাজার অনুযায়ী মাদার হরলিক্স ২৫০ গ্রাম বাংলাদেশ দাম 195 থেকে 200 টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
মাদার হরলিক্স 350 গ্রাম দাম বাংলাদেশে
আপনি যদি গর্ভকালীন সময়ে পুষ্টির অভাবে ভুগে থাকেন। কিংবা প্রাকৃতিক খাবার খেতে পারছেন না তাদের জন্য মাদার হরলিক্স হতে পারে পুষ্টি বা ভিটামিনের দোকান। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত মাদার হরলিক্স এ প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যা গর্ভাবস্থায় মায়েদের বিভিন্ন সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। বর্তমান বাজারে মাদার হরলিক্স ৩৫০ গ্রামের দাম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা হতে পারে।
মাদার হরলিক্স 500 গ্রাম দাম বাংলাদেশে
মাদার হরলিক্স 500 গ্রাম দাম বাংলাদেশে অনেক সময় উঠানামা করে। কিন্তু আমি আপনাদের আজকে বর্তমান মাদার হরলিক্স 500 গ্রামের দাম কত সেটি জানানোর চেষ্টা করব। আপনি যদি কোন মুদে দোকান থেকে মাদার হরলিক্স ৫০০ গ্রাম ক্রয় করতে চান সে ক্ষেত্রে ৫৯৫ টাকা থেকে শুরু করে ৬১০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন। আর যদি অনলাইনে ক্রয় করতে চান সে ক্ষেত্রে দাম একটু বেশি পড়বে।
১ কেজি মাদার হরলিক্স এর দাম কত
১ কেজি মাদার হরলিক্স সহজলভ্য নয়। ১ কেজি মাদার হরলিক্স মার্কেটে খুব একটা বেশি দেখা যায় না। যেগুলো দেখা যায় তার দাম সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করব। বর্তমান বাজারে এক কেজি মাদার হরলিক্স এর দাম ৭৮০ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এই দামটি বিভিন্ন অঞ্চল বা বিভিন্ন দোকান অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে।
মাদার হরলিক্স কোনটা ভালো
মাদার হরলিক্স কোনটা ভালো এটি নির্ভর করছে আপনার শারীরিক অবস্থার উপর।তাই আপনি যদি একটি ভালো মানের মাদার হরলিক্স খেতে চান সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত। তাহলে আপনি একটি সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন।
আরো পড়ুনঃ আনারসের উপকারিতা
কিন্তু আমি বিভিন্নভাবে রিসার্চ করে জানতে পারলাম যে বর্তমান সময়ে জিএসকে কোম্পানির মাদার হরলিক্স বর্তমান বাজারে সবচাইতে বেশি দেখা যাচ্ছে। এমনকি বিশেষজ্ঞ এবং ডাক্তারেরা জিএসকে মাদার হরলিক্স খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে। তাই আপনি চাইলে এই কোম্পানির মাদার হরলিক্স ক্রয় করতে পারেন।
মাদার হরলিক্স এর কাজ কি
আপনি যদি আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে ইতিমধ্যে আপনি জানতে পেরেছেন যে মাদার হরলিক্স এর কাজ কি।তাই এই প্রশ্নটা নিয়ে আর বেশি কথা বাড়ানো ঠিক হবে না। আপনি যদি এখনও না জেনে থাকেন যে মাদার হরলিক্স এর কাজ কি
আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় আনারস খেলে কি হয়
তাহলে আমার লেখা এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে নিতে পারেন। যদি মনোযোগ সহকারে পড়তে পারেন তাহলে মাদার হরলিক্স এর কাজ কি এর পাশাপাশি আরো অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন যা আপনাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগতে পারে। তাই সময় নষ্ট না করে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে নিন।
FAQ: গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা
১।মাদার হরলিক্স কী?
এটি গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি পুষ্টিকর স্বাস্থ্যপানীয়।
২।এটি কোন বয়সের মায়েরা খেতে পারেন?
গর্ভধারণের প্রথম মাস থেকে সন্তান জন্মের পর স্তন্যদানের সময় পর্যন্ত মায়েরা এটি খেতে পারেন।
৩।মাদার হরলিক্স খাওয়ার সঠিক নিয়ম কী?
সাধারণত দিনে ২ বার, এক গ্লাস গরম বা ঠাণ্ডা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করা যায়।
৪।মাদার হরলিক্স কি ওজন বাড়ায়?
এটি অতিরিক্ত চিনি মুক্ত, তবে নিয়মিত সঠিক পরিমাণে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৫।এতে কী কী পুষ্টি উপাদান থাকে?
এতে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি১২, ওমেগা-৩ ইত্যাদি থাকে।
৬।ডায়াবেটিস থাকলে কি এটি খাওয়া যাবে?
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত, কারণ এতে কিছু পরিমাণ প্রাকৃতিক চিনি থাকতে পারে।
গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা লেখক এর মন্তব্য
আশা করি আজকের আর্টিকেল থেকে জানতে পেরেছেন যে গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি? বিশেষজ্ঞদের মতে গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার উপকারিতা বলে শেষ করার মত নয়। গ্রাম অঞ্চলে বা শহরে প্রত্যেকটা গর্ভবতী মায়েদের মাদার হরলিক্স খেতে দেখা যায়। কারণ কোন গর্ভবতী মহিলা যদি পুষ্টিহীনতায় ভোগেন তাহলে সেই সমস্ত মহিলাদেরকে চিকিৎসকেরা
প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন এক গ্লাস দুধের সাথে মাদার হরলিক্স মিশিয়ে খেতে বলা হয়। যাতে করে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ থাকে। কিন্তু গর্ভকালীন সময়ে আপনার মুখে যদি রুচি থাকে তাহলে মাদার হরলিক্স খাওয়া বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাবার বা ফলমূল খেতে পারেন এতে আরো বেশি উপকার পাবেন। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। কথা হবে অন্য কোন টপিক নিয়ে সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url