ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত - গ্যাসকেট কাকে বলে

ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ জানতে ক্লিক করুনফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত এই বিষয়টি জেনে রাখা সবার জন্য অতিব জরুরী। কারণ দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজ ব্যবহার করার কারণে ফ্রিজের গ্যাসকেট নষ্ট হয়ে যায়। যার কারণে ফ্রিজ ঠান্ডা হয় না এবং এক দুই দিনের মধ্যেই ফ্রিজের সমস্ত খাবার নষ্ট হওয়া শুরু করে। তাই আপনি যদি ফ্রিজের গ্যাসকেট দীর্ঘদিন ধরে টিকে রাখতে চান
ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত

সেক্ষেত্রে অবশ্যই ফ্রিজের দরজা লাগানোর সময় আস্তে করে লাগাবেন। এবং সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন পানি এবং কাপড়ের সাহায্য নিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করে নেবেন। আবার আমরা অনেকেই ফ্রিজের গ্যাসকেট ধরে টানাটানি করি। এই ভুলটি আপনি কখনোই করবেন না এতে আপনার পায়ে আপনি নিজেই কুড়াল মারছেন।

সূচিপত্রঃ ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত

গ্যাসকেট কাকে বলে

গ্যাসকেট হলো একটি সিলিং উপাদান, যা সাধারণত দুটি সংযোগস্থলের মধ্যে ব্যবহার করা হয়। যাতে তরল বা গ্যাসের লিকেজ বন্ধ রাখা যায়। এটি মূলত যান্ত্রিক যন্ত্রপাতি, পাইপ, এবং ইঞ্জিনের মধ্যে সংযোগস্থলে ব্যবহার করা হয়।

গ্যাসকেট কত প্রকার

গ্যাসকেট প্রধানত তিন প্রকার হয়ে থাকে। কিন্তু গ্যাসকেট উপাদান, নকশা, এবং ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকারে বিভক্ত করা যায়। যেমনঃ

১। নরম গ্যাসকেট (Soft Gasket): এই গ্যাসকেট গুলো নমনীয় উপাদানে তৈরি করা হয় এবং স্বল্প চাপ বা তাপমাত্রায় ব্যবহার করা হয়। এই গ্যাসকেটটি রাবার, কর্ক, ফাইবার, পলিমার দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয় কম চাপের পাইপ লাইনে এবং ঘরোয়া যন্ত্রপাতিতে।
২। আধা-ধাতব গ্যাসকেট (Semi-Metallic Gasket): এই গ্যাসকেটটি নরম উপাদান এবং ধাতুর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। আধা-ধাতব গ্যাসকেটটি উচ্চচাপ এবং তাপমাত্রায় কাজ করতে বেশি ব্যবহার করা হয়। আধা-ধাতব গ্যাসকেটটি স্টিল এবং নরম উপাদান (গ্রাফাইট, পিটিএফই) দিয়ে তৈরি করা হয়।এই গ্যাসকেটটি সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিনের সিলিন্ডার হেড এবং উচ্চচাপের বয়লার বা হিট এক্সচেঞ্জারে।

৩। ধাতব গ্যাসকেট (Metallic Gasket): এই গ্যাসকেটটি সম্পূর্ণ ধাতু দিয়ে তৈরি করা হয় যা খুব উচ্চ তাপমাত্রা এবং চাপে কাজ করতে পারে। ধাতব গ্যাসকেটটি তৈরি করা হয় স্টেইনলেস স্টিল, কার্বন স্টিল, টাইটানিয়াম দিয়ে। এই গ্যাসকেটটি ভারী শিল্পে ব্যবহার করা হয়।

ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত

ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত এটি নির্ভর করছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড, মডেল এবং আকারের উপর। কিন্তু ফ্রিজের গ্যাসকেট বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে থাকে। আপনি চাইলে তাদের সাথে যোগাযোগ করে ঘরে বসে অর্ডার করতে পারেন।
ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত

আবার আপনি চাইলে আপনার আশেপাশের ইলেকট্রনিক্স এর দোকান থেকেও কিনে নিতে পারেন।ফ্রিজের গ্যাসকেট কেনার সাথে আরেকটি ম্যাগনেট কিনতে হয়। আপনি যদি সেই ম্যাগনেটটি না কিনেন তাহলে আপনার ফ্রিজের গ্যাসকেট ব্যবহার করা যাবে না।
কারণ আপনার ফ্রিজের দরজা লাগানোর জন্য গ্যাসকেটের বিতরে ম্যাগনেটি ঢুকিয়ে দিতে হবে। তাহলে আপনার ফ্রিজের দরজা ঠিকঠাক মতো কাজ করবে।

ফ্রিজের গ্যাসকেট কোথায় পাওয়া যায়

ফ্রিজের গ্যাসকেট কোথায় পাওয়া যায় ফ্রিজের গ্যাসকেট আপনার স্থানীয় ইলেকট্রনিক্সের দোকানে সহজে পেয়ে যাবেন। আবার আপনি চাইলে যাদের থেকে ফ্রিজটি নিয়েছেন তাদের থেকেও আপনার ফ্রিজের গ্যাসকেটটি নিতে পারেন। আবার আপনি চাইলে কোনো জায়গায় না গিয়ে
ঘরের মধ্যে বসে থেকে গ্যাসকেট অর্ডার করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে যে সমস্ত ওয়েবসাইটে ফ্রিজের গ্যাসকেট পাওয়া যায় তাদের ওয়েবসাইটের নাম তুলে ধরা হলো। যেমনঃ দারাজ, Pickaboo, বিক্রয় ডট কম। আপনি চাইলে এখান থেকে যেকোনো একটি ওয়েবসাইট থেকে আপনার ফ্রিজের গ্যাসকেটটি অর্ডার করতে পারেন।

FAQ: ফ্রিজের গ্যাসকেট এর দাম কত

১। ফ্রিজের গ্যাসকেট কী?
→ ফ্রিজের দরজা সিল করার জন্য ব্যবহৃত নমনীয় রাবার বা প্লাস্টিক সিল।

২। গ্যাসকেটের কাজ কী?
→ ঠাণ্ডা বাতাস বাইরে যেতে এবং উষ্ণ বাতাস ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া।

৩। ফ্রিজের গ্যাসকেট কীভাবে নষ্ট হয়?
→ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে বা সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার কারণে।

৪। নষ্ট গ্যাসকেট চেনার উপায় কী?
→ ফ্রিজের দরজা ঠিকভাবে বন্ধ না হওয়া, ঠাণ্ডা কমে যাওয়া বা বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যাওয়া।

৫। ফ্রিজের গ্যাসকেট কোথায় পাওয়া যায়?
→ স্থানীয় যন্ত্রাংশের দোকান, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, অথবা অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে।

৬। গ্যাসকেট পরিবর্তন করা সম্ভব কি?
→ হ্যাঁ, সঠিক সাইজ এবং মডেলের গ্যাসকেট ব্যবহার করে সহজেই পরিবর্তন করা যায়।

৭। গ্যাসকেট কতদিন টেকে?
→ সাধারণত ৫-১০ বছর, ব্যবহারের ধরন এবং রক্ষণাবেক্ষণের উপর নির্ভর করে।

৮। গ্যাসকেট পরিষ্কার করার সঠিক পদ্ধতি কী?
→ হালকা সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করে পরিষ্কার করা।

৯। গ্যাসকেটের দাম কেমন?
→ ব্র্যান্ড এবং সাইজের উপর নির্ভর করে, সাধারণত ১০০-৪০০ টাকার মধ্যে।

১০। গ্যাসকেট নষ্ট হলে কী সমস্যার সৃষ্টি হয়?
→ ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা ঠিক থাকে না, খাদ্য দ্রুত নষ্ট হয়, এবং বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url