ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ - গ্যাস চার্জের নিয়ম
ফ্রিজের কম্প্রেসার নষ্ট হওয়ার লক্ষণ এবং কারণ জানতে ক্লিক করুনআপনার বাড়িতে যদি একটি ফ্রিজ থেকে থাকে তাহলে আজকে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন। কারণ আপনি যদি এই পোস্টটি পড়ে নিতে পারেন তাহলে বুঝতে পারবেন ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে। এছাড়াও ফ্রিজের গ্যাস নিয়ে আরো বেশ কয়েকটি প্রশ্ন নিয়ে পুরো আর্টিকেলটি সাজানো হয়েছে।
তাই আপনিও যদি জানতে চান ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে তাহলে আর দেরি না করে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে নিন। তাহলে চলুন সময় নষ্ট না করে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে ফেলি।
সূচিপত্রঃ ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ
ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ
ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে আজকের পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়া শুরু করুন। কারন এই পোষ্টের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার পাঁচটি কার্যকরী লক্ষণ সম্পর্কে।
আপনার ফ্রিজে যদি নিচে দেওয়া পাঁচটি লক্ষণগুলো দেখা যায় তাহলে বুঝে নিবেন আপনার ফ্রিজের গ্যাস শেষের মধ্যে কিংবা শেষ হতে চলেছে।
১।ফ্রিজ ঠিকমতো ঠান্ডা না হওয়া
ফ্রিজের প্রধান কাজ হল মাছ-মাংস বা বিভিন্ন খাদ্যকে ঠান্ডা রাখা। কিন্তু আপনি যদি বুঝতে পারেন যে আপনার ফ্রিজে আগের মত মাছ মাংস বা খাদ্য একদমই ঠান্ডা হচ্ছে না তাহলে বুঝে নিবেন ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার এটি একটি লক্ষণ হতে পারে।
কারণ ফ্রিজের গ্যাস ফুরিয়ে গেলে কিংবা কমে গেলে ফ্রিজের কুলিং ক্ষমতা কমে যায় বা হ্রাস পায়। তার জন্য ফ্রিজ ঠিকমতো ঠান্ডা হয় না।
২।খাবার দ্রুত নষ্ট হওয়া
ফ্রিজের গ্যাস ফুরিয়ে গেলে কিংবা কমে গেলে ফ্রিজের ভেতরে থাকা খাবারগুলো খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। এর কারণ হলো ফ্রিজ সঠিক তাপমাত্রা দিতে পারে না। যার কারণে ফ্রিজের খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
৩। ফ্রিজ থেকে অস্বাভাবিক শব্দ হওয়া
অনেক সময় দেখা যায় আমাদের ফ্রিজ অস্বাভাবিক শব্দ করে কিংবা কম্প্রেসার অতিরিক্ত সময় ধরে কাজ করে। আপনার ফ্রিজে যদি এই সমস্যা গুলো দেখা দেয় তাহলে বুঝে নিবেন ফ্রিজের গ্যাস ফুরানোর এটি একটি বড় ইঙ্গিত। কারণ ফ্রিজের গ্যাস কমে গেলে কম্প্রেসার আরো বেশি পরিশ্রম করতে শুরু করে এবং অস্বাভাবিক শব্দ তৈরি করে।
৪।ফ্রিজের মধ্যে বরফ না জমা
অনেক সময় দেখা যায় দিনরাত পার হয়ে যায় তারপরও দেখা যায় ফ্রিজের মধ্যে কোন ধরনের বরফ জমছে না। আপনার ফ্রিজে যদি এই সমস্যাটি দেখা দেয় তাহলে বুঝে নিবেন এটি একটি ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার আরেকটি ইঙ্গিত। কারণ ফ্রিজের গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই সমস্যাটি দেখা দিতে পারে।
৫।ফ্রিজের পেছনে বা ডানে-বামে তাপমাত্রা বেশি
আপনি যদি কখনো দেখেন যে আপনার ফ্রিজের পিছনে কিংবা বামে ডানে বেশি গরম হচ্ছে তাহলে মনে করবেন এটি ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ। কারণ গ্যাসের অভাবে ফ্রিজের কম্প্রেসার অতিরিক্ত কাজ করতে শুরু করে। যার ফলে ফ্রিজের সাইডে অতিরিক্ত গরম হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ যা এড়ানো উচিত নয়।
এখন আপনার কি করা উচিত
আপনি যদি আপনার ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ গুলো দেখতে পান তাহলে ঘাবড়ানোর কিছুই নেই। আপনি ঠান্ডা মাথায় একজন পেশাদার টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিন। তারাই আপনার ফ্রিজের লিক পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় গ্যাস রিফিল করে দিবে।তারপর দেখবেন আপনার ফ্রিজ আবার আগের মত কাজ করতে শুরু করেছে।
ফ্রিজের গ্যাসের নাম কি
আপনার বাড়িতে হয়তো একটি অথবা দুইটি ফ্রিজ থাকতে পারে। কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার ফ্রিজটি কিভাবে খাবার ঠান্ডা রাখে। এর পিছনে মূল ভূমিকা পালন করে একটি বিশেষ গ্যাস যা রেফ্রিজারেন্ট নামে পরিচিত। চলুন ফ্রিজের গ্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত সহজ ভাষায় জেনে নেওয়া যাক।
রেফ্রিজারেন্ট কীঃ রেফ্রিজারেন্ট এমন একটি পদার্থ যা ফ্রিজের ভেতরে তাপ শোষণ করে এবং বাইরের দিকে তাপ মুক্ত করে ফলে ফ্রিজের ভিতরে ঠান্ডার সৃষ্টি হয়। রেফ্রিজারেন্ট ফ্রিজের কম্প্রেসার এর মাধ্যমে চাপ প্রয়োগে গ্যাসে রূপান্তরিত হয় এবং কোয়েল দিয়ে প্রবাহিত হয় যা তাপ শোষণ করে তরলে পরিণত হয়।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিজের কম্প্রেসারের কাজ কি
ফ্রিজে কোন গ্যাস ব্যবহার হয়ঃ ফ্রিজের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের গ্যাস বা রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার হতে দেখা যায়। পূর্বে ফ্রেয়ন (Freon) নামে পরিচিত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) গ্যাস ব্যবহৃত হতো। কিন্তু এই গ্যাস বা রেফ্রিজারেন্টটির ওজন বেশি হওয়ার জন্য এর ব্যবহার আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। বর্তমান ফ্রিজে পরিবেশবান্ধব গ্যাস ব্যবহার করা দেখা যায়। যেমনঃ
- R-134a (Tetrafluoroethene): এটি অনেক বছর ধরে ব্যবহার করতে দেখা যায়।
- R-600a (Isobutane): আধুনিক ফ্রিজে এটি সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- R-404A: বাণিজ্যিক ফ্রিজে বেশি ব্যবহার করা হয়।
কেন ফ্রিজের গ্যাস বা রেফ্রিজারেন্ট গুরুত্বপূর্ণঃ অভিজ্ঞদের মতে সঠিক গ্যাস বা রেফ্রিজারেন্ট ফ্রিজের কার্যকারিতা ও পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলে। কারণ পরিবেশবান্ধব গ্যাস ব্যবহারে ওজন স্তর সুরক্ষিত থাকে এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং কমে।
ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার নিয়ম
ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার নিয়ম একটি টেকনিক্যাল প্রক্রিয়া। তবে আপনি যদি সঠিকভাবে এই বিষয়টি বুঝতে পারেন তাহলে সহজেই এই কাজটি করতে পারবেন। তাহলে চলুন আজকে আমি আপনাদের গল্পের মাধ্যমে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করি।
ফ্রিজের গ্যাস কেন কমে যায়
অনেক সময় দেখা যায় ফ্রিজের সিস্টেমে কোন ধরনের লিক বা ছিদ্র থাকলে গ্যাস বেরিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ফ্রিজের গ্যাসের পরিমাণ আস্তে আস্তে কমে যেতে পারে।
ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার পূর্বপ্রস্তুতি
১।সঠিক রেফ্রিজারেন্ট নির্বাচনঃ ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার আগে আপনার ফ্রিজের মডেল অনুযায়ী সঠিক রেফ্রিজারেন্ট নির্বাচন করা খুবই জরুরী। আপনি লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন ফ্রিজের পিছনে বা ম্যানুয়ালে রেফ্রিজারেন্টের ধরন উল্লেখ করা থাকে। আপনি চাইলে সেখান থেকে দেখে নিতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ কেন হয়
২।প্রয়োজনীয় সরঞ্জামঃ আপনার ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার আগে গ্যাস সিলিন্ডারে, ম্যানিফোল্ড গেজ সেট, ভ্যাকুয়াম পাম্প, এবং সেফটি গ্লাভস ও গগলস প্রস্তুত করে রাখতে হবে।
ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার ধাপসমূহ
১। আপনি যখন আপনার ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করবেন তার আগে নিজের পাওয়ার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। আবার আপনি চাইলে আপনার নিরাপত্তার জন্য ফ্রিজের প্লাগ খুলে নিতে পারেন।
২। ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার আগে লিক পরীক্ষা করুন। আপনি চাইলে ফ্রিজের সিস্টেমে কোন লিক আছে কিনা তা সাবান পানির মিশ্রণ দিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন। যদি লিক পান তাহলে সেটি আগে মেরামত করুন। তারপর ফ্রিজে গ্যাস চার্জ করুন।
৩। ভ্যাকুয়াম পাম্প ব্যবহার করার মাধ্যমে সিস্টেম থেকে সমস্ত বাতাস ও আদ্রতা ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় নিয়ে বের করে নিন।
৪।ম্যানিফোল্ড গেজ সেটের মাধ্যমে সঠিক পরিমাণে রেফ্রিজারেন্ট সিস্টেমে প্রবেশ করান। গেজের রিডিং দেখে নিশ্চিত করুন সঠিক পরিমাণ গ্যাস চার্জ হয়েছে কিনা।
৫। এবার ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করা হয়ে গেলে ফ্রিজ চালু করে কুলিং পরীক্ষা করে নিন। আরো দেখবেন ফ্রিজ সঠিকভাবে ঠান্ডা হচ্ছে কিনা।
আপনি যদি আমার দেওয়া এই পাঁচটি নিয়ম ভালো মতো ফলো করতে পারেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করতে পারবেন। ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার নিয়ম একটি টেকনিক্যাল প্রক্রিয়া। তাই এই কাজটি একজন টেকনিশিয়ান এক্সপার্ট দিয়ে করানোই বেটার হবে।
ফ্রিজের গ্যাস কতদিন থাকে
ফ্রিজের গ্যাস সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে। কারণ এটি একটি বন্ধ সিস্টেমে কাজ করে। তবে অভিজ্ঞদের মতে ফ্রিজের গ্যাস স্থায়িত্ব নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর যেমন রক্ষণাবেক্ষণ, সিস্টেমের মান ও লিকের সমস্যা।
ফ্রিজের গ্যাস কতদিন থাকে
১। আপনার ফ্রিজে যদি লিক বা বড় কোন মেরামতের সমস্যা না থাকে তাহলে ফ্রিজের গ্যাসের স্থায়িত্ব হতে পারে ১৫ থেকে ২০ বছর বা তার বেশি হতে পারে। আর যদি আপনার ফ্রিজে কোন ধরনের সমস্যা বা লিক না থাকে তাহলে জীবনকাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিজের নরমালে পানি জমে কেন
২। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের অজান্তেই ফ্রিজের পাইপ বা সিস্টেম লিক হয়ে যায়। যা আমরা বুঝতে পারি না এর ফলে ফ্রিজের গ্যাস ধীরে ধীরে বেরিয়ে যেতে থাকে এবং কয়েক মাস বা এক দুই বছরের মধ্যে ফ্রিজের গ্যাস শেষ হয়ে যায়।
ফ্রিজের গ্যাস স্থায়িত্ব বাড়ানোর সেরা টিপস
১। ফ্রিজের পাইপ বা সিস্টেম লিক হয়েছে কিনা তা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ বা পরীক্ষা করুন।
২। ফ্রিজ ক্রয় করার সময় অবশ্যই নাম করা ব্র্যান্ডের ফ্রিজ কিনতে ভুলবেন না। কারণ ভালো মানের ফ্রিজ সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৩। আমরা অনেকেই ফ্রিজে অতিরিক্ত খাবার দিয়ে ওভারলোড করে রাখি। এই ভুলটি কখনোই করবেন না। কারণ ফ্রিজে অতিরিক্ত খাবার রাখলে সিস্টেমের উপর চাপ পড়ে। যার ফলে আপনার ফ্রিজে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ফ্রিজের গ্যাসের দাম কত
ফ্রিজের গ্যাসের দাম কত এটি নির্ভর করছে বিভিন্ন ফ্যাক্টরির উপর। যেমন গ্যাসের ধরন, পরিমাণ এবং ব্র্যান্ড। বর্তমান বাজারে বিভিন্ন ধরনের ফ্রিজের গ্যাস পাওয়া যায় কিন্তু সব গ্যাসই আপনার জন্য ভালো নাও হতে পারে। তাই আপনি যখন আপনার ফ্রিজের গ্যাস কিনতে যাবেন তার আগে অবশ্যই ভালোমতো রিসার্চ করে নিবেন।
কিংবা অভিজ্ঞ একজন টেকনিশিয়ানের সাথে কথা বলতে পারেন এতে আপনি একটি সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন। এরপরেও বাংলাদেশে সবচাইতে যে দুটি গ্যাস বেশি ব্যবহার করা হয় তাদের দাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি।
আরো পড়ুনঃ ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমার কারণ কি
R600a গ্যাসঃ এই গ্যাসটি বর্তমান বাজারে ৪,০০০ টাকায় পেতে পারেন ৬.৫ কেজি সিলিন্ডার। আবার কোন কারনে এর দাম কম বেশিও হতে পারে।
R32 গ্যাস: এই গ্যাসটিও বর্তমান বাজারের ব্যাপক ব্যবহার করা হচ্ছে। আপনি যদি এই গ্যাসটি কিনতে চান তাহলে এর দাম পড়বে প্রায় ৩,২০০ টাকা এর ওজন ৭ কেজি সিলিন্ডার।
লেখক এর মন্তব্য
আপনি যদি এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে ইতিমধ্যে আপনি জানতে পেরেছেন ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে। এছাড়াও জানতে পেরেছেন ফ্রিজের গ্যাসের নাম কি, ফ্রিজের গ্যাস চার্জ করার নিয়ম, ফ্রিজের গ্যাস কতদিন থাকে, ফ্রিজের গ্যাসের দাম কত। ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়া সচরাচর দেখা যায় না।কিন্তু আমাদের কিছু কিছু
ভুলের কারণে অনেক সময় আমাদের অজান্তেই আমাদের ফ্রিজে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। তারপরেও দেখা যায় কোন ধরনের টেকনিশিয়ানের সাথে যোগাযোগ করি না। তাই আমার মতে ফ্রিজে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সাথে সাথে একজন অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের সাথে যোগাযোগ করা অতীব জরুরী। আজকে এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
FAQ: ফ্রিজের গ্যাস শেষ হওয়ার লক্ষণ
১. ফ্রিজে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
ফ্রিজে সাধারণত R134a বা R600a ধরনের রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
২. ফ্রিজের গ্যাস শেষ হলে কীভাবে বুঝবো?
ফ্রিজ ঠাণ্ডা করা বন্ধ করবে, এবং ভেতরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
৩. ফ্রিজের গ্যাস লিক কেন হয়?
গ্যাস লিক হতে পারে পাইপের ছিদ্র, জয়েন্ট লুজ, বা দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে।
৪. ফ্রিজে গ্যাস ভর্তি করতে কত সময় লাগে?
গ্যাস ভর্তি করতে সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে।
৫. ফ্রিজের গ্যাস ভরার খরচ কত?
এটি নির্ভর করে মডেল এবং গ্যাসের ধরন অনুযায়ী। সাধারণত ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকার মধ্যে।
৬. ফ্রিজের গ্যাস কি ক্ষতিকারক?
পুরনো গ্যাস (CFC) পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক, তবে আধুনিক গ্যাস তুলনামূলক নিরাপদ।
৭. ফ্রিজের গ্যাস কেন গুরুত্বপূর্ণ?
রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ফ্রিজে তাপ সরিয়ে ঠাণ্ডা করার কাজ করে।
৮. গ্যাস লিক বন্ধ করা সম্ভব কিনা?
হ্যাঁ, লিকেজ পাইপ বা জয়েন্ট মেরামত করে বন্ধ করা সম্ভব।
৯. ফ্রিজে কতদিন পর গ্যাস পরিবর্তন করতে হয়?
সাধারণত, ফ্রিজ ঠিক থাকলে গ্যাস পরিবর্তনের দরকার হয় না।
১০. ফ্রিজের গ্যাস শেষ হলে কি নতুন ফ্রিজ কিনতে হবে?
না, শুধু গ্যাস রিফিল করলেই ফ্রিজ আবার কাজ করবে।
মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url