বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে - বৃদ্ধাশ্রম এর ঠিকানা জানুন

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে তার আগে চলুন আপনাদের সাথে কিছু কথা শেয়ার করি। বৃদ্ধাশ্রমের কথা শুনলেই বুকের মাঝে কেমন জানি করে এমনকি চোখের কোনে পানি চলে আসে। কারণ অনের বাবা-মা আছেন যারা না খেয়ে ছেলেমেয়েদের মানুষের মতো মানুষ করে
বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে

বড় অফিসার বা চাকরিজীবী তৈরি করে। কিন্তু সেই ছেলেরাই দেখা যায় বাবা-মার বয়স হয়ে গেলে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে। যাতে তারা তাকে বিরক্ত না করতে পারে। অথচ সে কিন্তু বড় একটা ফ্লাট নিয়ে বিন্দাস লাইফ পার করছে কিন্তু তার বাবা-মাকে রেখে আসছে বৃদ্ধাশ্রমে।

সূচিপত্রঃ বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে

সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। কারণ এই আর্টিকেলের মধ্যে তুলে ধরার চেষ্টা করব বাংলাদেশে সরকারি বা বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় টোটাল ছয়টি সরকারি বৃদ্ধাশ্রম দেখা যায়।এই ছয়টি বৃদ্ধাশ্রম সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ছয়টি সরকারি

বৃদ্ধাশ্রম বাংলাদেশের ছয়টি জেলায় অবস্থিত। যেমন ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বাগেরহাট, বরিশাল, সিলেট এই ছয়টি জেলায় সরকারি বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। সরকারের মতামত অনুযায়ী এই ছয়টি বৃদ্ধাশ্রমে ৩০০ জনের বেশি বৃদ্ধদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন বলব বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমের কথা। বেসরকারি উদ্যোগেও দেশে বেশ কয়েকটি বৃদ্ধাশ্রম পরিচালিত হয়েছে। যেমনঃ
  • আপন ভুবন বৃদ্ধাশ্রমঃ এই বৃদ্ধাশ্রমটির অবস্থান হল ঢাকা উত্তরাতে। এই প্রতিষ্ঠানটি বৃদ্ধা মায়েদের পরম যত্নের সাথে সেবা প্রদান করে থাকে।
  • বিশিয়া বৃদ্ধাশ্রমঃ এই বৃদ্ধাশ্রমটি গাজীপুরে কুড়ি বাড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত। আপনি যদি গাজীপুর চৌরাস্তা গিয়ে এই বৃদ্ধাশ্রমের কথা বলেন তাহলে রিক্সা বা ভ্যান আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে পৌঁছে দিবে।
  • জোবেদা হোসেন বৃদ্ধাশ্রমঃ এই বৃদ্ধাশ্রমটির অবস্থান বড়বিহানলী ইউনিয়ন, রাজশাহীতে। এই বৃদ্ধাশ্রমটি স্থানীয় প্রবীণদের সেবা প্রদান করে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশে সরকারি বা বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে।
এছাড়াও বর্তমান সময়ে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই এটি ভালো করে বলা যায় যে আর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আমাদের বাংলাদেশে আরো বেশ কয়েকটি বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন হয়ে যাবে। কারণ বর্তমান সময়ে দেখা যায় বিভিন্ন জেলায় বৃদ্ধাশ্রম দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পনা চলছে।

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে ঢাকায়

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে ঢাকায় আপনি কি খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছে। আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব যে বৃদ্ধাশ্রম ঢাকায় কোথায় কোথায় রয়েছে এবং তাদের ফোন নাম্বার সহ তুলে ধরার চেষ্টা করব। আপনি চাইলে সেই নাম্বারে কথা বলতে পারেন। তাহলে চলুন দেখি ঢাকায় বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে।
  1. আপন ভুবন বৃদ্ধাশ্রমঃ ঠিকানা ঢাকা উত্তরা সেক্টর ১৩ তে অবস্থিত। তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য এই নাম্বারে কল করতে পারেন। মোবাইলঃ ০১৮৮৬১০৭১০৯, ০১৮২৮৬৭৩৪৭৩
  2. চাইল্ড এন্ড ওল্ড এইজ কেয়ারঃ এই বৃদ্ধাশ্রমটি ঢাকা সাভারের কমলাপুর বাহিরটেক এলাকায় অবস্থিত। তাদের সাথে যোগাযোগ করতে ফোন করুন এই নাম্বারে। মোবাইলঃ ০১৬২২২২০২২২, ০১৬২০৫৫৫২২২।
  3. বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রঃ বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র গাজীপুর হোতাপারা এলাকায় অবস্থিত। তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য মোবাইল করুন। ০১৭১৪০৯৬৩২৫ এই নাম্বারে।
  4. আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমঃ আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম ঢাকা উত্তরাতে অবস্থিত। আপনি যদি ঢাকা উত্তরাতে গিয়ে আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম এর কথা কাউকে জিজ্ঞেস করেন তাহলে সেই বৃদ্ধাশ্রমটি পেয়ে যাবেন।আবার আপনি চাইলে আমার দেওয়া নাম্বারে কল করে প্রয়োজনীয় কথা বলতে পারেন। ০১৬৮৬৬৬৪০৬৮,০১৮২৮৬৭৩৪৭৩।
  5. প্রবীণ নিবাসঃ প্রবীণ নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটি ঢাকা আগারগাঁও অবস্থিত। তাদের সাথে কথা বলার জন্য মোবাইল করতে পারেন। মোবাইলঃ ০১৭৭৫৪৭৪৮২৭, অথবা ফোন করুনঃ ৯১৪১৪০৪,৯১২৯৮১৪ এই নাম্বারে।
ঢাকার মধ্যে এই পাঁচটি বৃদ্ধাশ্রম ছাড়াও বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে থাকতে পারে। কারণ বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। ঢাকার মধ্যে যে সমস্ত বৃদ্ধাশ্রম পরিচিত সেই সমস্ত বৃদ্ধাশ্রমের কথা আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি। এবং তাদের ঠিকানা সহ ফোন নাম্বার দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

সরকারি বৃদ্ধাশ্রমের ঠিকানা

বর্তমান সময়ে ৬টি বিভাগে ছয়টি শান্তি নিবাস সরকারি বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। এই ছয়টি বৃদ্ধাশ্রম এর সমস্ত খরচ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বহন করেন। এই ছয়টি বৃদ্ধাশ্রম এর ঠিকানা হলো রাজশাহী, ফরিদপুর, বাগেরহাট, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল।আপনি চাইলে তাদের সেবা গ্রহণের জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন যোগাযোগের নাম্বার।

মোহাম্মদ রেদওয়ান হোসেন সহকারী পরিচালক (ময়মনসিংহ) মোবাইলঃ ০১৭২৬৪৫৩৯১৭। সাইফুল ইসলাম সহকারী পরিচালক (পুবাইল, গাজীপুর) মোবাইলঃ ০১৯১১৭০৮৬৯৪। মোঃ জাকির হোসেন, উপ-সহকারী পরিচালক (কাশিমপুর, গাজীপুর) মোবাইলঃ ০১৭২৯১৭১০০৭।

আপনি যদি একটি সরকারি বৃদ্ধাশ্রম খুঁজে থাকেন বা বৃদ্ধাশ্রমে উঠতে চান তাহলে উপরে দেওয়া যে কোন একটি নাম্বারে ফোন করে তাদের সাথে বিস্তারিত প্রয়োজনীয় কথা বলতে পারেন। এতে আপনি খুব সহজেই সঠিক একটি ধারণা পেয়ে যাবেন।

আগারগাঁও বৃদ্ধাশ্রম ঠিকানা

আগারগাঁও প্রবীণ নিবাস নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। এর সঠিক ঠিকানা হলো শেরে বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭। আপনি চাইলে এই ঠিকানায় গিয়ে তাদের বৃদ্ধাশ্রমটি খুঁজে বের করতে পারেন। আবার আপনি যদি তাদের সাথে সরাসরি মোবাইলের মাধ্যমে বা ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে চান তাহলে এই নাম্বারে কল করে কথা বলতে পারেন।তাদের মোবাইল নাম্বার

হল ০১৭৭৫৪৭৪৮২৭ এবং ফোন নম্বর: ৯১৪১৪০৪, ৯১২১৫৮১। আপনার প্রয়োজনীয় কথাবার্তা ফোন কলের মাধ্যমে তাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। যদি ফোন কলে প্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলতে চান তাহলে শেরেবাংলা নগর আগারগাঁও গিয়ে খোঁজ করতে পারেন। আপনি যদি শেরেবাংলা নগর গিয়ে বৃদ্ধাশ্রমের কথা সাধারণ জনগণের কাছে বলেন তাহলে খুব সহজেই আপনাকে খুঁজে বের করে দিবে।

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে চট্টগ্রামে

চট্টগ্রাম শহরে বর্তমান সময়ে দুইটি বৃদ্ধাশ্রম দেখা যায়। তার মধ্যে একটি হলো আমেনা বশর বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র। এই বৃদ্ধাশ্রমটি ২০১৪ সালে বিশাল এলাকা জুড়ে স্থাপন করা হয়। এই বৃদ্ধাশ্রমটি শামসুল আলম নামে এক ব্যবসায়ী নিজ উদ্যোগে স্থাপন করে। পরবর্তীতে এই বৃদ্ধাশ্রমটি সরকার নিবন্ধিত হয়। তারপর থেকে সমস্ত খরচ সরকার বহন করেছে। আপনি যদি এই বৃদ্ধাশ্রমে যেতে

চান তাহলে চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়ায় কাপ্তাই সড়কে গেলে এই বৃদ্ধাশ্রম এর খোঁজ পেয়ে যাবেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে আরও একটি বৃদ্ধাশ্রম দেখা যায়। এই বৃদ্ধাশ্রমটি আইয়ুব নগর বৃদ্ধাশ্রম নামে পরিচিত।এই বৃদ্ধাশ্রমটি চট্টগ্রামের দূর্গারামপুরে অবস্থিত। আপনি চাইলে তাদের সাথে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন তাদের ফোন নাম্বার হল ০১৩২১-৮৬৪৪০৬, ০১৮৫১৭৮১২০৮। আবার আপনি চাইলে চট্টগ্রামের দূর্গারামপুরে গিয়ে সরাসরি তাদের সাথে কথা বলতে পারেন।

গাজীপুর বৃদ্ধাশ্রম কোথায়

গাজীপুরে একটি জনপ্রিয় বৃদ্ধাশ্রম এর মধ্যে দেখা যায় বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র। এই বৃদ্ধাশ্রমটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন গিভেন্সী গ্রুপের কর্ণধার খতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল। এই বৃদ্ধাশ্রমটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।এই বৃদ্ধাশ্রমটিতে বর্তমান সময়ে ৮০ থেকে ৯০ জন পুরুষ

এবং 70 থেকে 80 জন নারীসহ মোট ১৬০ থেকে ১৭০ জন প্রবীণ বাস করছেন। এই বৃদ্ধাশ্রমটি আব্দুল শাহেদ মুকুল এর নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হয়। এই বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র এর ঠিকানা হল হোতাপাড়া, মনিপুর এলাকা, গাজীপুর সদর উপজেলা।

বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা কত

বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা কত আপনি হয়তো জানেন না। কিন্তু এখন আমি আপনাদের জানাবো বাংলাদেশে বৃদ্ধাশনের সংখ্যা কত? বাংলাদেশে সরকারি এবং বেসরকারি মিলে প্রায় ৩২ টি বৃদ্ধাশ্রম দেখা যায়। তার মধ্যে সরকারি বৃদ্ধাশনের সংখ্যা মাত্র ছয়টি।
বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে

বর্তমান সময়ে দেখা যায় ভালো ভালো চাকরিজীবীর মা-বাবা বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে আশ্রয় নেয়। এটি দেখে বোঝা যায় যে ভবিষ্যতে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা আরো বেড়ে যাবে।

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে সিলেট

সিলেটে এখন পর্যন্ত কোন বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন করা হয়নি। কিন্তু সিলেটে বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা চলছে। কিন্তু সিলেটের স্থানীয় সাধারণ জনগণ সিলেট জেলায় বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন তৈরি করতে আগ্রহী নয়। কারণ চাতলীবন্দ গ্রাম, টুকেরবাজার ইউনিয়ন, সিলেট সদর উপজেলায় প্যারেন্টস কেয়ার বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন করার পরিকল্পনা করেন।

এমনকি বৃদ্ধাশ্রমের জন্য বিশাল ভূমি নির্বাচন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে সিলেটের সাধারণ জনগণের মতামত না পাওয়ায় কাজটি এখনো অসম্পূর্ণ হয়ে রয়েছে।সিলেটের সাধারণ জনগণ তাদেরকে জানিয়েছেন সিলেটে বৃদ্ধাশ্রম নয় আমরা চাই শিক্ষার আলো।

কারণ সিলেটের মানুষ চায়না যে তাদের বাবা-মা পরিজনের সাথে একটি বিশাল দূরত্ব তৈরি হয়ে যাক।কারণ যখন একটি বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন করা হবে তখন অনেক ভালো ভালো ফ্যামিলির ছেলে মেয়ে বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে এতে করে তাদের দূরত্ব আস্তে আস্তে দূরে সরে যাবে।

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে ময়মনসিংহ

বর্তমান সময়ে ময়মনসিংহে দুইটি বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। তার একটি নাম হল সাড়া মানবিক বৃদ্ধাশ্রম ও অপরটির নাম হল মাতৃছায়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও বৃদ্ধাশ্রম।আমি আপনাদের এই দুটি বৃদ্ধাশ্রম এর সঠিক ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার সম্পর্কে জানাবো। 
  1. সাড়া মানবিক বৃদ্ধাশ্রমঃ আমাদের সমাজে অনেক সময় দেখা যায় বাবা-মা বৃদ্ধ হলে সেই বাবা মাকে রাস্তাঘাটে বা ফুটপাতে ফেলে আসে। তাদেরকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য সাড়া মানবিক বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন করা হয়। এই বৃদ্ধাশ্রমটি স্থাপন করেন আব্দুল মালেক। সাড়া মানবিক বৃদ্ধাশ্রম ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার দারিয়াপাড়া গ্রামে স্থাপন করা হয়। তাদের সাথে যোগাযোগ করতে এই নাম্বারে কল করতে পারেন ০১৭৬৬৫৮৩৬৪৬।
  2. মাতৃছায়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও বৃদ্ধাশ্রমঃ এই বৃদ্ধাশ্রমটি স্থাপন করা হয় চর কামটখালি গ্রাম, নান্দাইল, ময়মনসিংহ। এই বৃদ্ধাশ্রমে শুধুমাত্র তারাই থাকতে পারবে যারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন বা পরিবার সন্তান কাছে নিতে চায় না তাদের জন্য মাতৃছায়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও বৃদ্ধাশ্রম স্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশের বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমের তালিকা

বাংলাদেশের বেশিরভাগ জেলায় বৃদ্ধাশ্রম দেখা যায়। বাংলাদেশে বর্তমানে বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম প্রায় ২৬ টির বেশি রয়েছে। আপনি যদি এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে থাকেন তাহলে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম এর তালিকা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনি যদি বাংলাদেশের বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম এর তালিকা সম্পর্কে 

সঠিক ধারণা লাভ করতে চান তাহলে আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়া শুরু করুন। কারণ এই আর্টিকেলের মধ্যে সরকারি এবং বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রম এর নামের তালিকা সহ ঠিকানা মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে।তাই আপনি যদি এখনো বাংলাদেশের বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমের তালিকা সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

FAQ: বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে

১। বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রম কেন প্রয়োজন?

পরিবারের অবহেলা, সন্তানের ব্যস্ততা, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং একাকিত্ব দূর করার জন্য বৃদ্ধাশ্রম প্রয়োজন হয়ে উঠছে।

২। বৃদ্ধাশ্রমে প্রবেশের জন্য কী কী শর্ত থাকে?

বেশিরভাগ বৃদ্ধাশ্রমে প্রবেশের জন্য বয়সসীমা (সাধারণত ৬০+), শারীরিক সুস্থতা, এবং কখনো কখনো আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন হয়।

৩। বৃদ্ধাশ্রমে কী ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়?

আবাসন, খাবার, চিকিৎসা সুবিধা, বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

৪। বৃদ্ধাশ্রমে খরচ কেমন হয়?

সরকারি বৃদ্ধাশ্রম বিনামূল্যে পরিষেবা দেয়, তবে বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে মাসিক ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা লাগতে পারে।

৫। বাংলাদেশে সরকারি বৃদ্ধাশ্রম কীভাবে পরিচালিত হয়?

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কিছু সরকারি বৃদ্ধাশ্রম পরিচালিত হয়, যেখানে প্রবীণ নাগরিকদের বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হয়।

৬। বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণরা কি সুখী জীবনযাপন করেন?

এটি ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে, তবে অনেক প্রবীণ পরিবার ও সমাজের অবহেলার কারণে বৃদ্ধাশ্রমে থেকে মানসিক শান্তি খুঁজে পান।

৭। বৃদ্ধাশ্রমে প্রবেশের জন্য কোথায় আবেদন করতে হয়?

সরকারি বৃদ্ধাশ্রমে থাকার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়, আর বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে সরাসরি যোগাযোগ করতে হয়।

বৃদ্ধাশ্রম কোথায় কোথায় আছে লেখক এর মন্তব্য

আপনি যদি একজন ভালো মনের মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে কোনদিন চিন্তা করবেন না যে আমার বাবা মাকে কিংবা আত্মীয়-স্বজনকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসি। কারণ আপনি যদি ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে আপনার বাবা মার জন্য আপনি এই দুনিয়াতে আসতে পেরেছেন। এমনকি আপনি এখন যে পর্যায়ে আছেন

এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে আপনার বাবা-মা এবং আত্মীয়-স্বজন। কিন্তু আপনি কি করছেন আপনি আপনার বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসছেন। বৃদ্ধাশ্রম এর সূচনা হয়েছে পশ্চিমা থেকে কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এতে খুব সহজেই বোঝা যায় যে বাংলাদেশেও বৃদ্ধাশ্রম আস্তে আস্তে বিশাল আকৃতি ধারণ করবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url