সোনালি মুরগির ঔষধের তালিকা - সোনালি মুরগির খাদ্য তালিকা
ব্রয়লার মুরগির ওজন বৃদ্ধির ঔষধ করতে ক্লিক করুনসোনালি মুরগির ঔষধের তালিকা, সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির উপায়, সোনালী মুরগির ওজন বৃদ্ধির ঔষধ, সোনালী মুরগির কত দিনে কতটুকু ওজন হওয়া উচিত, সোনালি মুরগির খাদ্য তালিকা, সোনালী মুরগির বাচ্চা ঝিমানো ঔষধ, সোনালী মুরগির লাইটিং আপনি যদি এই সমস্ত সকল প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তাহলে এই পুরো পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন।
সূচীপত্রঃ সোনালি মুরগির ঔষধের তালিকা
কারন আপনি যদি সোনালী মুরগীর খামার পড়ে থাকেন কিংবা বসতবাড়িতে পালন করে থাকেন তাহলে আপনাকে এই সকল প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে জানতেই হবে কারণ আপনি যদি সোনালি মুরগির বিভিন্ন ঔষুধের সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে আপনি আপনার সোনালি মুরগি নিয়ে ক্ষতির মুখে পড়ে যেতে পারেন।
সোনালি মুরগির ঔষধের তালিকা
সোনালি মুরগির ঔষধ এর তালিকা নিয়ে নিছে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি সোনালি মুরগির ঔষধের সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই পোস্টটি পড়ে দেখতে পারেন কারণ এখানে সকল ধরনের ঔষধ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সোনালি মুরগির বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহার করা হয়। মুরগির বয়স, রোগের ধরন, এবং রোগের তীব্রতা অনুযায়ী ঔষধের মাত্রা এবং প্রয়োগ পদ্ধতি নির্ধারিত করা হয়। যেমনঃ
সোনালি মুরগির কৃমি নিরাময়ের ঔষধঃ
- এভিনেক্স ভেট পাউডার
- এভিনেক্স ভেট সাসপেনশন
- ডেক্সিলমেট
- এন্ট্রোসাল
- এন্ট্রোসাল প্লাস
সোনালি মুরগির ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের ঔষধঃ
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালঃ ট্রাইক্লোরোথেন, ক্লোরফ্লুরোথেন, ইত্যাদি
সোনালি মুরগির ভাইরাসজনিত রোগের ঔষধঃ
ইমিউনোমোডুলেটরঃ ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ইত্যাদি
অ্যান্টিভাইরালঃ ইন্টারফেরন, অ্যাসিক্লোভির, এ্যামিডোটেরিসিন বি, ইত্যাদি
সোনালি মুরগির পরজীবীজনিত রোগের ঔষধঃ
এন্টিপারাসিটিকঃ ইভেরমেকটিন, লেভামিসোল, আইভারমেকটিন, ইত্যাদি
সোনালি মুরগির পুষ্টিজনিত রোগের ঔষধঃ
ভিটামিন এবং খনিজঃ ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, জিংক, ইত্যাদি
সোনালি মুরগির অন্যান্য রোগের ঔষধঃ
- অ্যালার্জির ঔষধঃ অ্যান্টিহিস্টামিন
- পেট ফাঁপার ঔষধঃ অ্যান্টাসিড
- জ্বরের ঔষধঃ প্যারাসিটামল
- ব্যথার ঔষধঃ আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন, ইত্যাদি
সোনালি মুরগির ঔষধের ব্যবহার মুরগির স্বাস্থ্য এবং উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি এই সকল ঔষধ নিয়ম মেনে খাওয়াতে পারেন তাহলে আপনার সোনালি মুরগির ওজন এবং ডিমের পরিমাণ অনেক অংশে বেড়ে যাবে। এর জন্য অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার কিংবা পুরাতন খামারির কাছ থেকে ধারনা নিতে পারেন।
কারণ আপনি যদি ঔষধ সঠিক নিয়মে খাওয়াতে না পারেন তাহলে আর সোনালি মুরগির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির উপায়
সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির উপায়, আমরা সোনালি মুরগির ওজন বিভিন্নভাবে বৃদ্ধি করতে পারি। আপনি চাইলে কিছু নিয়ম ফলো করে আপনার সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন আবার চাইলে কিছু ঔষধের মাধ্যমে মুরগির ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন যা নিচে তুলে ধরা হলো। সোনালি মুরগি একটি হাইব্রিড মুরগি যা দ্রুত ওজন বৃদ্ধির জন্য পরিচিত।
তবে, সঠিক খাবার এবং যত্নের মাধ্যমে আপনি সোনালি মুরগির ওজন আরও বৃদ্ধি করতে পারেন।
সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির জন্য নিচের যে বিষয়গুলি খেয়াল রাখতে হবেঃ
সঠিক খাবাজঃ সোনালি মুরগির জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা খাবার দেওয়া উচিত। এই খাবারে প্রয়োজনীয় পরিমাণে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, ভিটামিন, এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে।
পর্যাপ্ত খাবারঃ সোনালি মুরগিকে সারাদিন খাবার দিতে হবে । খাবার খাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত খাবারের পাত্র এবং পানির পাত্র থাকা উচিত।
পর্যাপ্ত আলোঃ সোনালি মুরগিকে পর্যাপ্ত আলো দেওয়া উচিত। আলো মুরগির খাবার হজম এবং ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যকর পরিবেশঃ সোনালি মুরগিকে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা দরকার। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ঘর, পর্যাপ্ত জায়গা, এবং পর্যাপ্ত বাতাস মুরগির স্বাস্থ্য এবং ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে।
আবার সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এই ওষুধগুলি মুরগির খাদ্য হজম, খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ, এবং প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে।
সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির ওষুধের নামঃ
প্রোটিন সম্পূরকঃ প্রোটিন সম্পূরক মুরগির খাদ্যে প্রোটিন এর মাত্রা বাড়ায়। প্রোটিন মুরগির ওজন বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান।
ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের সম্পূরকঃ ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের সম্পূরক মুরগির খাদ্যে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের মাত্রা বাড়ায়। ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ মুরগির স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
হরমোন এবং বৃদ্ধি বর্ধক ওষুধঃ হরমোন এবং বৃদ্ধি বর্ধক ওষুধ মুরগির খাদ্য হজম, খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ, এবং প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে থাকে। এই ওষুধগুলি মুরগির ওজন বৃদ্ধিতে দ্রুত ফল দেয়।
আপনি যদি এই সকল নিয়ম মেনে সোনালী মুরগি পালন করেন তাহলে অবশ্যই আপনার মুরগির ওজন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। আবার আপনি চাইলে নিচে দেওয়া ঔষুধের মাধ্যমে আপনার সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন।
সোনালী মুরগির কত দিনে কতটুকু ওজন হওয়া উচিত
আমরা অনেকেই নতুন খামারি রয়েছি যারা সোনালি মুরগি পালন করে থাকি তাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না যে সোনালি মুরগির কত দিনে কতটুকু ওজন হওয়া উচিত। আসলে সোনালী মুরগীর ওজন বৃদ্ধি করতে বিশেষ কিছু নিয়ম ফলো করতে হয় যে নিয়মগুলা ফলো করলে আপনার সোনালি মুরগির ওজন অতি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। সাধারণত আমরা খামারে যে ওজন দেখে থাকি তা নিচে তুলে ধরা হলো।
প্রথম ৪ সপ্তাহে তার ওজন হওয়া উচিত হবে ১০০-১২৫ গ্রাম, পরবর্তী ৪ সপ্তাহে ২৫০-৩০০ গ্রাম, আর শেষ ১০-১২ সপ্তাহে ৪০০-৫০০ গ্রাম। আবার আপনি যদি ওজন বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই ওজনের চেয়ে বেশি হতে পারে। কারণ বিভিন্ন ঔষধ এবং বিভিন্ন নিয়ম ফলো করে অল্প সময়ে অধিক ওজন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তাই আপনি যদি সেই নিয়ম গুলো ফলো করে থাকেন তাহলে আমি যে ওজনের কথা আপনাদের জানালাম এই ওজনের চেয়েও বেশি হতে পারে। কারন আমরা বলে এসেছি যে সোনালি মুরগি্র ওজন কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় আপনি যদি এই বিষয়ে না জেনে থাকেন তাহলে উপরে থাকা তথ্যগুলো থেকে আপনি জেনে নিতে পারেন।
সোনালি মুরগির খাদ্য তালিকা
সোনালি মুরগির খাদ্য তালিকার মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় তিনটি খাদ্য প্রি স্টার্টার, সোনালি স্টার্টার, সোনালি ফিনিশার এই তিনটি খাবার সকল খামারিদের খাওয়াতে দেখা যায়। আপনি চাইলে শুধুমাত্র এই তিনটি খাবার দিয়ে সোনালি মুরগি পালন করতে পারেন এছাড়াও বাজারে আরো অনেক ধরনের খাদ্য পাওয়া যায় যেগুলো কেনার সময় আপনাকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে কারণ বাজারে অনেক নিম্নমানের খাদ্য বেচাকেনা হয়ে থাকে।
- ০ দিন - ১০ দিন = প্রি স্টার্টার ( ভালো কোয়ালিটির)
- ১১দিন- ৪৫ দিন = সোনালি স্টার্টার
- ৪৬ দিন- বিক্রির আগে অবধি = সোনালি ফিনিশার
সোনালি মুরগির খাদ্য ভিতরে কিছু উপাদান রয়েছে যা আপনার মুরগির জন্য অনেক কার্যকারী এবং উপকারী যা নিচে ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
সোনালি মুরগির খাদ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, ভিটামিন, এবং খনিজ পদার্থ থাকা প্রয়োজন।
সোনালি মুরগির খাদ্যের উপাদান সমূহঃ
প্রোটিনঃ সোনালি মুরগির খাদ্যে প্রোটিন এর পরিমাণ সর্বোচ্চ 28% হওয়া উচিত। প্রোটিন মুরগির মাংসের উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কার্বোহাইড্রেটঃ সোনালি মুরগির খাদ্যে কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ সর্বোচ্চ 65% হওয়া দরকার। কার্বোহাইড্রেট মুরগির শক্তির চাহিদা পূরণ করে।
ফ্যাটঃ সোনালি মুরগির খাদ্যে ফ্যাট এর পরিমাণ সর্বোচ্চ 10% হয়ে থাকে। ফ্যাট মুরগির স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ভিটামিনঃ সোনালি মুরগির খাদ্যে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এর পরিমাণ রাখা উচিত। ভিটামিন মুরগির স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য কার্যকারী।
খনিজ পদার্থঃ সোনালি মুরগির খাদ্যে প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ এর পরিমাণ ঠিক থাকা প্রয়োজন। খনিজ পদার্থ মুরগির স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধির জন্য অনেক কাজে আসে।
এই সমস্ত উপাদান আপনি পেয়ে যাবেন উপরে দেওয়া যে তিনটি খাদ্য নাম দেওয়া রয়েছে আপনি যদি সে তিনটি খাবার নিয়ম মত খাওয়াতে পারেন তাহলে এই সমস্ত উপাদান পুষ্টিগুণ পেয়ে যাবেন। এর সাথে আপনি অল্প দিনের ভিতরে দেখবেন আপনার সোনালী মুরগির ওজন বৃদ্ধিতে অন্যরকম ভূমিকা পালন করছে।
সোনালী মুরগির বাচ্চা ঝিমানো ঔষধ
যে সমস্ত কারণে সোনালি মুরগির বাচ্চা ঝিমাতে পারে সেই সকল বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা যাক এরপর সোনালি মুরগির বাচ্চা জিমানোর ঔষধ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাবে তো চলুন আগে জেনে নেওয়া যাক কি কি লক্ষণ গুলো থেকে সোনালি মুরগির বাচ্চা ঝিমানো শুরু করে এর মধ্যে রয়েছে।
তারতম্যপূর্ণ তাপমাত্রাঃ সোনালী মুরগির বাচ্চাগুলির জন্য 30-32 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। এর বেশি বা কম তাপমাত্রায় মুরগির বাচ্চাগুলি ঝিমাতে পারে।
অপ্রতুল খাবার বা পানিঃ সোনালী মুরগির বাচ্চাগুলির খাদ্য এবং পানির সরবরাহ পর্যাপ্ত না হলে তারা ঝিমাতে পারে।
রোগের সংক্রমণঃ সোনালী মুরগির বাচ্চাগুলি বিভিন্ন রোগের সংক্রমণে আক্রান্ত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ঠান্ডা, সর্দি, কলেরা, গামবোরো, নিউকাসলে, ইত্যাদি। এই রোগগুলির কারণে মুরগির বাচ্চাগুলি ঝিমাতে পারে।
এই সমস্ত লক্ষণ দেখা মাত্রই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন এতে করে আপনার মুরগি ঝিমানো থেকে বেঁচে যাবে।
সোনালী মুরগির বাচ্চার ঝিমানোর জন্য কিছু ঔষধ রয়েছে। এই ঔষধগুলি মুরগির বাচ্চার ঝিমানো দূর করতে সাহায্য করে। যেমনঃ
এনার্জি টনিকঃ এনার্জি টনিক মুরগির বাচ্চার শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি মুরগির বাচ্চার ঝিমানো দূর করতে সাহায্য করে।
ভিটামিন ও খনিজ পদার্থঃ ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ মুরগির বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুরগির বাচ্চার শরীরে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি হলে তারা ঝিমাতে পারে। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের সম্পূরক খাওয়ালে মুরগির বাচ্চার ঝিমানো দূর হতে পারে।
রোগের চিকিৎসাঃ মুরগির বাচ্চার যদি কোনো রোগের সংক্রমণ থাকে, তাহলে সেই রোগের চিকিৎসা করা উচিত। রোগের চিকিৎসা হলে মুরগির বাচ্চার ঝিমানো দূর হবে।
আপনি যদি এই সমস্ত নিয়ম কানুন ফলো করেন পাশাপাশি নিচে দেওয়া যে ঔষধ গুলো দেওয়া হয়েছে এর মাধ্যমে আপনার সোনালি মুরগির বাচ্চা ঝিমানো থেকে রক্ষা করতে পারেন। এরপরেও যদি আপনার সোনালি মুরগির বাচ্চা ঝিমানো বাদ না হয় তাহলে অবশ্যই ভালো একটা ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন এতে করে আপনি ক্লিয়ার একটা ধারনা পেয়ে যাবেন।
সোনালী মুরগির লাইটিং
যারা নতুন খামারি আছেন তারা অনেকেই বুঝতে পারেন না যে কিভাবে লাইটিং করতে হয় মুরগির খামারের জন্য। তাই আমি আজকে আপনাদের জানাবো কিভাবে সোনালী মুরগীর লাইটিং সাজাবেন আমার এই নিয়মে লাইটিং সাজালে সোনালি মুরগির অনেক ধরনের কার্যকারী উপকারী পাওয়া যাবে। যা নিচে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব।
সোনালী মুরগির লাইটিং মুরগির বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা এবং স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক লাইটিং ব্যবস্থাপনা মুরগির ওজন বৃদ্ধি, ডিম উৎপাদন, এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
সোনালী মুরগির লাইটিং সাধারণত দুটি ধরণের হয়ঃ
প্রাকৃতিক আলোঃ প্রাকৃতিক আলো হল সূর্যের আলো। সূর্যের আলো মুরগির বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে, সবসময় প্রাকৃতিক আলো পাওয়া যায় না।
কৃত্রিম আলোঃ কৃত্রিম আলো হল ল্যাম্প বা ফিলামেন্ট দ্বারা উৎপন্ন আলো। কৃত্রিম আলো প্রাকৃতিক আলোর অনুপস্থিতিতে মুরগির বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
সোনালী মুরগির লাইটিংয়ের সময়সূচিঃ
সোনালী মুরগির লাইটিংয়ের সময়সূচি মুরগির বয়স এবং পর্যায়ের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, সোনালী মুরগির বাচ্চাগুলিকে প্রথম সপ্তাহে 24 ঘন্টা লাইট দেওয়া হয়। এরপর, প্রতি সপ্তাহে 1 ঘন্টা করে লাইটের সময় কমিয়ে দেওয়া হয়। 35-42 দিন বয়সের মধ্যে মুরগিগুলিকে 16 ঘন্টা লাইট দেওয়া হয়।
সোনালী মুরগির লাইটিংয়ের তীব্রতাঃ
সাধারণত, সোনালী মুরগির বাচ্চাগুলিকে প্রথম সপ্তাহে 30-40 লুমেন/ফুট ² লাইট দেওয়া হয়। এরপর, প্রতি সপ্তাহে 10-15 লুমেন/ফুট ² করে লাইটের তীব্রতা কমিয়ে দেওয়া হয়। 35-42 দিন বয়সের মধ্যে মুরগিগুলিকে 20-25 লুমেন/ফুট ² লাইট দেওয়া হয়।
সোনালী মুরগির লাইটিংয়ের রঙঃ
সোনালী মুরগির লাইটিংয়ের রঙ মুরগির বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতার উপর প্রভাব ফেলে। সাধারণত, সাদা আলো মুরগির বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীলতার জন্য সবচেয়ে উপকারী হয়ে থাকে।
আপনি উপরে দেওয়া নিয়ম মেনে আপনার খামারে লাইটিং করতে পারেন এতে করে আপনার খামারে রোগ জীবাণু ঢুকতে পারবে না। কারণ বর্তমান সময়ে এই সমস্ত নিয়ম কানুন মেনেই সমস্ত খামারিরা লাইটিং করে যাচ্ছে তাই আপনিও চাইলে এই নিয়ম ফলো করে লাইটিং সাজাতে পারেন।
সোনালি মুরগির ঔষধের তালিকাঃ শেষ কথা
সোনালি মুরগির ঔষধের তালিকা, সোনালি মুরগির ওজন বৃদ্ধির উপায়, সোনালী মুরগির ওজন বৃদ্ধির ঔষধ, সোনালী মুরগির কত দিনে কতটুকু ওজন হওয়া উচিত, সোনালি মুরগির খাদ্য তালিকা, সোনালী মুরগির বাচ্চা ঝিমানো ঔষধ, সোনালী মুরগির লাইটিং আপনি যদি এই পুরো পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে ইতিমধ্যেই এই সকল সমস্ত প্রশ্নের উত্তর আপনি পেয়ে গেছেন।
মারিয়া অনলাইন ব্লকের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url